কমবয়সে আদিত্য ধর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলতেন। তিনি ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখতেন। তাঁকে একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে দেখা হয়েছিল। তিনি ২০০০ সালের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলে স্থান পাওয়ার জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলেন। এমনকী ২০০২ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দলে থাকারও আশা করেছিলেন।
তবে সব কিছু পরিকল্পনা মতো হয়নি। এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদিত্য নির্বাচনের সুযোগ হারান। তাঁর জায়গীয় ভারতীয় দলের ক্রিকেটার রজার বিনির পুত্র স্টুয়ার্ট বিনিকে দেওয়া হয়। ওই টুর্নামেন্টে স্টুয়ার্ট বিনি ছয় ম্যাচে মাত্র ৩৪ রান করেন এবং কেবল দুটি উইকেট নেন, যা পরে নির্বাচনের বিষয়ে প্রশ্ন তোলে।
advertisement
প্রিয়দর্শন একটি সাক্ষাৎকারে মাশেবল ইন্ডিয়ার সঙ্গে প্রকাশ করেছেন যে, আদিত্য ধর তখন ঘরে বসে থাকতেন, হতাশায় ডুবে থাকতেন। এর পর কেউ তাঁকে গর্দিশ সিনেমাটি দেখতে আমন্ত্রণ জানায়। সেটি দেখার পর আদিত্য ধর সিদ্ধান্ত নেন, তিনি সিনেমা জগতে পা রাখবেন।
আদিত্য ধরের চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা সহজ ছিল না। অনেক নবাগতের মতো তিনিও প্রত্যাখ্যান এবং হতাশার মুখোমুখি হন। তিনি কয়েকটি সিনেমার চিত্রনাট্যের জন্য লেখালিখি করেন। কিন্তু সঠিক স্বীকৃতি পাননি। পরে তিনি প্রিয়দর্শনের সঙ্গে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন এবং সংলাপও লিখেছেন।
আরও পড়ুন- ‘পাকিস্তানিদের দলে নেবেন, ওরা টাকা পেয়ে ভারতীয়দেরই মারবে’, সানরাইজার্সকে চাচাছোলা আক্রমণ গাভাসকরের
শেষপর্যন্ত আদিত্য ধর তাঁর পরিচালনায় প্রথম সিনেমা হিসেবে উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক তৈরি করেন, যা বিশাল সাফল্য লাভ করে। কয়েক বছর পরে, তিনি আরও বড় সাফল্য অর্জন করেন ধুরন্ধরের মাধ্যমে, যা ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে মুক্তি পায়।
রনবীর সিং অভিনীত চলচ্চিত্রটি প্রথম সপ্তাহে ২১৮ কোটি টাকা আয় করে। সিনেমাটি ১৬ দিনের মধ্যে আয়ে ৫০০ কোটি টাকা অতিক্রম করে এবং শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ১,৩০০ কোটি টাকার বেশি আয় করে। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়ের হিন্দি সিনেমা হিসেবে দাঁড়ায় এবং বছরের অন্যতম বড় বক্স অফিস সাফল্য হয়ে ওঠে।
