পূর্ণিমা কর্মকার জানান ছোটবেলা থেকেই জিমন্যাস্টিকের প্রতি ভালোবাসা ছিল তার, কিন্তু আর্থিক অনটনের কারণে সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। বিয়ের পর দুই সন্তানকে নিজের মতো করে প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। সেই স্বপ্নই জেগে উঠেছে দুই সন্তানের মধ্যে । বর্তমানে দুজনেই রাজ্য পর্যায়ে অ্যাক্রোবেটিক জিমনাস্টিক গেমে নিজেদের গ্রুপে স্টেট চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু সাফল্যের সিঁড়ি পেরিয়ে এখন তারা দাঁড়িয়ে জাতীয় স্তরের দোরগোড়ায়।
advertisement
কিন্তু প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে প্রয়োজন প্রায় ৩০ হাজার টাকা, যা দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারটির পক্ষে জোগাড় করা অত্যন্ত কঠিন। বাবা এতদিন পড়াশোনা ও খেলাধুলার যাবতীয় খরচ বহন করলেও এখন পুরো পরিবার সংকটে। তবু মা হার মানতে না রাজ। সন্তানদের স্বপ্নের মঞ্চে পৌঁছে দিতে মরিয়া তিনি। রাজদীপ ও মেঘার চোখে এখন একটাই স্বপ্ন , দেশের শ্রেষ্ঠ হওয়ার, আর মায়ের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার।
আরও পড়ুনঃ Digha: দিঘার উত্তাল সমুদ্রে ভয়ঙ্কর-কালো-বিশালাকার ওটা কী? জেনে নিন বিস্তারিত
মেঘা কর্মকার জানায় ছোট থেকেই মা ও বাবা এই জিমনাস্টিকে প্রশিক্ষণ নিতে উৎসাহিত করে, মূলত মায়ের অপূর্ণ ইচ্ছে ও স্বপ্নকে বাস্তবের রূপ দিতেই তার ও তার ভাইয়ের এই লড়াই। প্রশিক্ষনের জায়গায় নেই সঠিক পরিকাঠামো, বৃষ্টি হলেই বন্ধ করে দিতে হয় প্রশিক্ষণ, কিন্তু নিজেদের লড়াইয়ে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়াতে নারাজ রাজদীপ ও মেঘা, সহ ১৩ জন প্রতিযোগী, দিন রাত এক করে চলছে তাদের শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি।মোটের ওপর একাধারে পারিবারিক দারিদ্র্যতা পাশাপাশি প্রশিক্ষনের বাধা এই বৃষ্টি , আর এ সব কিছুর সঙ্গেই লড়াই করে এখন নিজেদের সেরা প্রমানের লড়াইয়ে মরিয়া নবদ্বীপের এই মেঘা ও রাজদীপ তা বলাই বাহুল্য।





