এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের ফুটবল কোচিংয়ের জন্য ‘বি’ ডিপ্লোমা কোর্সের ক্যাম্প শুরু হয়েছে। সেখানেই মেহেতাব, লালকমলদের সঙ্গে পঁচিশ জন প্রাক্তন ফুটবলার ট্রেনিং ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। জাতীয় ফুটবলে ক্লাব কোচিং করতে গেলে লাইসেন্স প্রয়োজন। ‘বি’ ডিপ্লোমা প্রথম মডিউলের ক্যাম্পের দু’মাস পর দ্বিতীয় মডিউল হবে। এখানে প্র্যাকটিক্যাল ও থিওরি দুইভাবে কোচিং শেখানো হচ্ছে। অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের হেড কোচ এডুকেশন বিবেক নাগুল ও ফুটবল ইন্সট্রাক্টর সেলিম পাঠান রয়েছেন এই ক্যাম্পের দায়িত্বে। বিবেক জানান, কোচিং শিখছেন যারা তারা অনেকেই আইএসএল, আই লিগ খেলেছেন। তাদের খেলার অভিজ্ঞতা আছে। এখন প্র্যাকটিক্যাল সেশন চলছে। পজিশন স্পেসিফিক ট্রেনিংয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আধুনিক ফুটবলের সাত-সতেরো শেখানো হচ্ছে। ট্রেনিং শেষে প্র্যাকটিক্যাল ও থিওরিটিক্যাল পরীক্ষা হবে। দু’মাস পর মডিউল ‘বি’ কোর্স হবে। সেখানেও একইরকমভাবে ট্রেনিং চলবে। যারা ভালো করবে তারা ‘বি’ ডিপ্লোমা কোর্সের সার্টিফিকেট পাবে। সেই সার্টিফিকেট নিয়ে তারা ক্লাবে কোচিং করাতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে তারা ‘এ’ লাইসেন্স পেতে পারেন।
advertisement
মেহেতাব হোসেন বলেন, ”সবাই ভালো করে ট্রেনিং নিচ্ছে। ফুটবলে অনেক সুযোগ-সুবিধা এসেছে। প্রতিভা আছে, শুধু সেগুলোকে তুলে ধরতে হবে। জেলা থেকেই ফুটবলার তুলে আনতে হবে। বাংলা সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কলকাতা লিগও ভালো হচ্ছে। কলকাতার দলগুলো বাঙালি ছেলেদের সুযোগ দেয়। যদি তাহলে তারা ভালো করবে অবশ্যই। তাদের উপর ভরসা রাখতে হবে। আমরা কোচিংয়ের দিকটা শুধু শিখছি। ভালো ফুটবলার হওয়া আর ভালো কোচ হওয়া এক নয়। তার জন্য ভালো করে শিখতে হয়। এখানে সেটাই শেখানো হচ্ছে।”
ট্রেনিং ক্যাম্পের দায়িত্বে রয়েছে আইএফএ। তার প্রতিনিধি অমর বোস বলেন, ”আইএফএ-র মাঠের অভাব আছে এই মুহূর্তে। তাই হুগলি জেলা স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনকে বলা হয়েছিল। দিল্লি থেকে এআইএফএফ-এর দু’জন রয়েছেন। প্রত্যেকেই থাকছেন চুঁচুড়ায়। তাদের থাকা-খাওয়ার দায়িত্ব আইএফএ-র। লাইসেন্স ছাড়া ফুটবল কোচ হওয়া যাবে না। তাই কোচিং লাইসেন্স নিতে অনেকেই ট্রেনিং নিচ্ছেন। নিয়ে বাইরের রাজ্যেও গিয়ে কোচিং করছেন।”
Rahi Haldar





