সিয়ারলস, টাইটান্স দলের মালিক চিত্রঞ্জন রাঠৌর এবং দলের কর্মকর্তা ট্রেভন গ্রিফিথ—এই তিনজনকেই তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অস্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১১ মার্চ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে তাদের অভিযোগের জবাব দিতে হবে বলে জানিয়েছে আইসিসি।
এই অভিযোগগুলো মূলত বিম১০ টুর্নামেন্টে সম্ভাব্য দুর্নীতি সংক্রান্ত, যা সিডব্লিউআই-এর দুর্নীতিবিরোধী বিধির আওতায় পড়ে। এছাড়া গ্রিফিথের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ম্যাচ সম্পর্কিত একটি অতিরিক্ত অভিযোগও রয়েছে, যা আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধির আওতায় পড়ে।
advertisement
আইসিসি জানিয়েছে, এটি একটি বৃহত্তর তদন্তের অংশ। এর আগে ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি অ্যারন জোনস-এর বিরুদ্ধেও সিডব্লিউআই ও আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধি ভঙ্গের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল।
চিত্রঞ্জন রাঠোরের বিরুদ্ধে: ৩টি অভিযোগ। জেভন সিয়ারলসের বিরুদ্ধে ৪টি অভিযোগ। ট্রেভন গ্রিফিথের বিরুদ্ধে ৫টি অভিযোগ (সিডব্লিউআই-এর ৪টি + আইসিসির ১টি)।
ম্যাচ ফিক্সিং বা ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা আচরণকে বেআইনিভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ। খেলোয়াড় বা সহায়ক কর্মীদের এই ধরনের অপরাধ করতে উৎসাহ দেওয়া বা সহায়তা করা। দুর্নীতির তদন্তে সহযোগিতা না করা বা অস্বীকার করা।
আরও পড়ুন- ইরান না খেললে কোন দেশ সুযোগ পাবে ফুটবল বিশ্বকাপে? কী রয়েছে ফিফার নিয়ম?
এছাড়া সিয়ারলস ও গ্রিফিথের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ রয়েছে, সম্ভাব্য দুর্নীতির প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজকে না জানানো। গ্রিফিথের বিরুদ্ধে অতিরিক্তভাবে আইসিসির অভিযোগও আনা হয়েছে যে তিনি দুর্নীতি তদন্তে বাধা দিয়েছেন, যেমন তথ্য গোপন করা বা প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা।
