এই সিরিজে রোহিত শর্মা তিনটি ম্যাচে মোট ৬১ রান করেন। তাঁর গড় ছিল ২০.৩৩ এবং সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ২৬। পরিসংখ্যানের দিক থেকে সিরিজটি রোহিতের জন্য খুব একটা ভালো না হলেও, এর আগে তিনি ধারাবাহিকভাবে রান পেয়েছিলেন। গত সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একটি সেঞ্চুরি ও একটি হাফ-সেঞ্চুরি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুটি পঞ্চাশ করেছিলেন তিনি। সেই তুলনায় এই সিরিজটাই ছিল প্রথম, যেখানে তিনি কোনও ৫০-এর বেশি ইনিংস খেলতে পারেননি।
advertisement
সিরিজ চলাকালীন রোহিতের ব্যাটিং ধরণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। সাধারণত আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত রোহিতকে এবার কিছুটা সতর্ক মনে হয়েছে। অনেকের মতে, তিনি আগের মতো আগ্রাসী ছিলেন না। তবে দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে এই বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর মতে, কঠিন উইকেট এবং ম্যাচের আগে রোহিতের কম খেলা—এই দুইয়ের প্রভাবই মূল কারণ।
আরও পড়ুনঃ টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ যেতে পারে বাংলাদেশ! টাইগার্সদের শেষ ওয়ার্নিং আইসিসির!
টেন দুশখাতে আরও বলেন, রোহিত আদতে খুব আক্রমণাত্মক হলেও তিনি একজন ‘টাচ প্লেয়ার’। বলের ভালো টাইমিংয়ের উপর তাঁর ব্যাটিং নির্ভর করে। উইকেট ভালো না হলে স্বাভাবিক ছন্দে খেলা কঠিন হয়ে যায়। পাশাপাশি টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার পর পর্যাপ্ত ম্যাচ না খেলার কারণেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, রোহিত কখনও নিজের জন্য খেলেন না, সব সময় দলের কথাই আগে ভাবেন।
