হার্দিক পান্ডিয়া: আইপিএল শুরুর আগে তাঁর ফর্ম নিয়ে সংশয় ছিল। কিন্তু প্রতিযোগিতা যত গড়িয়েছে ততই নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছেন গুজরাত অধিনায়ক। নেতৃত্বভারই দায়িত্বশীল করেছে তাঁকে। সাড়ে চারশোর বেশি রান করেছেন। পকেটে পাঁচটি উইকেটও রয়েছে।
ডেভিড মিলার: মারাত্মক চাপের মুখে বার বার জ্বলে উঠেছেন। ছিনিয়ে আনছেন জয়। অথচ, একসময় বাতিলের দলে তাঁকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। মিডল অর্ডারে নেমে ৬৪.১৪ গড়ে করেছেন ৪৪৯ রান।
advertisement
রশিদ খান: বিশ্বমানের স্পিনার। এখনও পর্যন্ত নিয়েছেন ১৮ উইকেট। ইকনমি রেট সাতেরও নীচে। যে কোনও দলেরই সম্পদ ২৩ বছর বয়সি আফগান তারকা। ব্যাট হাতেও দলকে জেতানোর ক্ষমতা ধরেন।
জস বাটলার: ১৬ ম্যাচে ৫৮.৮৫ গড়ে করেছেন ৮২৪ রান। রয়েছে চারটি সেঞ্চুরি ও চারটি হাফ-সেঞ্চুরি। স্ট্রাইক রেট দেড়শোর উপর। শেষ ম্যাচেও শতরান পেয়েছেন, যা আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। দলের ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ তিনিই।
সঞ্জু স্যামসন: পরিস্থিতি যাই হোক, টপ গিয়ারেই খেলতে ভালোবাসেন। ঝুঁকি নিতে দ্বিধা করেন না একেবারেই। তারপরও প্রায় সাড়ে চারশো রান করে ফেলেছেন। পাশাপাশি নেতা হিসেবেও দ্রুত পরিণত হয়েছেন।
যুজবেন্দ্র চাহাল: পকেটে ২৬ উইকেট। বেঙ্গালুরুর হাসারাঙ্গার সঙ্গে যুগ্মভাবে সর্বাধিক উইকেট শিকারী তিনি। রাজস্থানের বোলিংয়ে তিনিই তুরুপের তাস। বিপক্ষ ইনিংসে ভাঙন ধরাতে সিদ্ধহস্ত। লেগস্পিন, গুগলির বৈচিত্র্যে ব্যাটসম্যানকে বোকা বানানোই তাঁর বৈশিষ্ট্য।
