ESPNcricinfo-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৮ মার্চ আহমেদাবাদে ভারতের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের ফাইনাল ম্যাচের জন্য এমন একটি পিচ প্রস্তুত করা হচ্ছে যেখানে লাল ও কালো মাটির মিশ্রণ থাকবে। এই ধরনের পিচে ব্যাটার ও বোলার—দুজনেরই সুবিধা হতে পারে, কারণ এতে বাউন্স ও সিম মুভমেন্ট পাওয়া যায়।
advertisement
চলতি টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত ছটি ম্যাচেই ১৭০-এর বেশি রান হয়েছে। আজ সুপার সানডে-তে একটি হাই-স্কোরিং ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত এক বছরের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বার যখন ভারত ও নিউজিল্যান্ড কোনো আইসিসি নকআউট ফাইনালে মুখোমুখি হবে। এর আগে তারা ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালেও একে অপরের বিরুদ্ধে খেলেছিল।
ফাইনাল ম্যাচে টস সবসময়ই খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পিচের ধরন যেমনই হোক না কেন, ভারতের ক্ষেত্রে একটি মজার ব্যাপার হল, তাদের দুটি টি২০ বিশ্বকাপ জয়ের সময়ই টস জিতে আগে ব্যাট করেছে। সেই শিরোপা জয় আসে ২০০৭ বিশ্বকাপে এবং ২০২৪ বিশ্বকাপে।
শুধু ২০১৪ ফাইনালে ভারত টস হেরে আগে ব্যাট করতে বাধ্য হয়েছিল। রবিবার আহমেদাবাদে যদি সূর্যকুমার টস জিতেন, তা হলে ভারতের আগে ব্যাট করা উচিত। এটা কেবল কুসংস্কার নয়, এই আসরে ভারতের রেকর্ডও সেটাই বলছে। এখনও পর্যন্ত আটটি ম্যাচের মধ্যে ভারত ছয়টিতেই জিতেছে আগে ব্যাট করে।
তবে রান তাড়া করেও ভারত একটি ম্যাচ জিতেছে, সেটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। যে কোনও দলের জন্য আগে ব্যাট করা শুধু ব্যাটারদের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেলতে সাহায্য করে না, একইসঙ্গে প্রতিপক্ষের উপর স্কোরবোর্ডের চাপও তৈরি করে।
আহমেদাবাদে পরিসংখ্যানও ভারতের পক্ষেই। আগে ব্যাট করা ভারতের জন্য সুবিধাজনক। এখনও পর্যন্ত ভারত আহমেদাবাদে ১০টি টি-২০ খেলেছে, তার মধ্যে আটটি জিতেছে এবং দুটি হেরেছে। এই আট জয়ের মধ্যে ছটিতেই ভারত আগে ব্যাট করেছে, যা আবারও প্রমাণ করে যে যদি সূর্য আজ টস জেতেন, তবে আগে ব্যাট করা তার পছন্দের অপশন হবে।
আরও পড়ুন- রোহিতের দ্বারস্থ ভারতের বাঁ হাতি তারকা! হিটম্যানের টিপসই বদলে দেবে জীবন?
উল্লেখ্য, এই টি২০ বিশ্বকাপের এই ভেন্যুতে ছটি ম্যাচের মধ্যে চারটি ম্যাচে আগে ব্যাট করা দলই জিতেছে। এছাড়া আজ শিশির খুব একটা বড় ফ্যাক্টর হবে না। ফলে পরে ব্যাট করা দল খুব একটা বাড়তি সুবিধা পাবে না।
