আইসিসি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড-কে সতর্ক করেছে যে এই সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। ব্যাটিং কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকার বলেছেন, পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা প্রায়শই অবসর নেওয়ার পর পুনরায় খেলার সিদ্ধান্ত নেন। তাই তিনি আশা করছেন, পাকিস্তান হয়তো শেষ মুহূর্তে তাদের বয়কট সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে।
গাভাসকার বলেন, “পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ৪ দিনের মধ্যে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে থাকেন। তাই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্তও বদলানো সম্ভব।” তিনি আরও যোগ করেন, পাকিস্তানি ভক্তরা সরকারের কাছে প্রশ্ন তুলতে পারেন এবং সেই চাপের ফলেও সিদ্ধান্ত বদলানো যেতে পারে।
advertisement
পাকিস্তান ম্যাচ না খেললেও, ভারতীয় দল শ্রীলঙ্কায় সফরে যাবে। ম্যাচের জন্য ওয়াকওভার পেতে হলে প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়দের কয়েন টসের জন্য মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। তাই ভারতীয় টি২০ অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব ফেব্রুয়ারি ১৫ তারিখে কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে কয়েন টসের জন্য মাঠে নামবেন। পাকিস্তান অধিনায়ক উপস্থিত না থাকলে ম্যাচ রেফারি ওয়াকওভার ঘোষণা করে ভারতকে দুই পয়েন্ট দেবেন।
আরও পড়ুনঃ IND vs PAK: মাস্টার প্ল্যান তৈরি টিম ইন্ডিয়ার! ভারতের এই চালেই চোখে আরও সর্ষে ফুল দেখবে পাকিস্তান!
পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নকভী শীঘ্রই মিডিয়ার সামনে এই বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত কি সরকার একপক্ষীয়ভাবে নিয়েছে নাকি পিসিবি তার সঙ্গে একমত ছিল। বিশ্ব ক্রিকেটের নজর এখন পাকিস্তানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
