গত ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে প্রবল বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেদিনই বিমানবন্দর থেকে অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক শতদ্রুকে গ্রেফতার করা হয়। প্রথমে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয় শতদ্রুকে। তারপর ২ দফায় বিচারবিভাগীয় হেফাজত দেওয়া হয়েছিল। গত ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে প্রবল বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেদিনই মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। অবশেষে ৩৭ দিন পর জামিন পেলেন শতদ্রু।
advertisement
তদন্তে উঠে এসেছে, মাঠে প্রবেশের পর লিওনেল মেসির গায়ে ও পিঠে একাধিকবার হাত দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে মেসি বিরক্ত হয়ে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের বিষয়টি জানান। নিরাপত্তারক্ষীরা গোটা পরিস্থিতির কথা শতদ্রু দত্তকে জানালে, তিনি তড়িঘড়ি অ্যানাউন্সমেন্ট করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। দেড় ঘণ্টার জন্য নির্ধারিত অনুষ্ঠান মাত্র কুড়ি মিনিটের মধ্যেই শেষ করে মাঠ ছাড়েন মেসি। তদন্তকারীদের কাছে শতদ্রু দত্ত জানান, মেসি মাঠে ঢোকার পর কতক্ষণ থাকবেন, তা নিয়ে যে ফ্লোচার্ট আগে থেকেই তৈরি করা হয়েছিল, মাঠে প্রবেশের পরই সেই পুরো পরিকল্পনা ভেঙে পড়ে। তিনি শুধু আয়োজন করেছিলেন, শনিবারের বিশৃঙ্খলার জন্য তিনি কোনওভাবেই দায়ী নয় বলে জানিয়েছিলেন ধৃত শতদ্রু দত্ত।
