ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। কাগিসো রাবাডা ও লুঙ্গি এনগিডির আগুনে বোলিংয়ে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুটা ভাল করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ২ ওভারেই ২৯ রান স্কোরবোর্ডে উঠে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরই ছন্দপতন। পাওয়ার প্লে-তে অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে গিয়ে পরপর উইকেট খুইয়ে বসে ক্যারিবিয়ানরা। এনগিডি ও রাবাডার দাপটে ব্র্যান্ডন কিং, সাই হোপ, শিমরন হেটমায়ার, রস্টন চেজ, শেরফেন রাদারফোর্ড, রভম্যান পাওয়েল, ম্য়াথিউ ফোর্ড পরপর সাজঘরে ফিরে যান।
advertisement
৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে একটা সময় মনে হচ্ছিল ১০০ পেরোবো না ক্যারিবিয়ান দল। কিন্তু সেখান থেকে ম্যাচ ঘুড়ে দাঁড়ায় ২বারের টি২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা। সৌজন্যে রোমারিও শেফার্ড ও জেসন হোল্ডারের অনবদ্য ব্যাটিং। চাপের মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় ব্যাটিং করে দলের স্কোরের বোর্ড এগিয় নিয়ে যান দুই অলরাউন্ডার। সেট হতেই আক্রমণাত্মক শটও খেলেন। শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ৪৯ করেন হোল্ডার ও ৩৭ বলে ৫২ রান করেন রোমারিও শেফার্ড। ০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান করে ক্যারিবিয়ানরা।
রান তাড়া করতে নেমে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক এডেন মার্করাম ও কুইন্টন ডিকক মিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং নিয়ে কার্যত ছেলেখেবা করে। পাওয়ার প্লের আগেই ঝোড়ো ব্যাটিং করে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ পূরণ করে। ৮ ওভারে ৯৫ রানের পার্টনারশিপ করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন দুই প্রোটিয়া তারকা। অষ্টম ওভারের শেষে ২৪ বলে ৪৭ রানের মারকাটারি ইনিংস খেলে আউট হন কুইন্টন ডিকক।
আরও পড়ুনঃ IND vs ZIM: আর কিছু সময় পরই মেগা ম্যাচ! ভারতের একাদশে মহাচমক! করা থাকছে দলে আর কারা পড়ছে বাদ?
যদিও তাতে কোনও চাপ বাড়েনি প্রোটিয়া ইনিংয়ে। এডেন মার্করাম নিডের ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে যান। সেই সঙ্গে তাকে সঙ্গ দেন রায়ান রিকলটন। তিনিও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন। উল্টোদিকে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন মার্করাম। তারাও অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ পূরণ করেন। একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট খেলেন। ১৬.১ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায় প্রোটিয়ারা। ৪৬ বলে ৮২ করে মার্করাম ও ২৮ বলে ৪৫ রান করে রিকলটন অপরাজিত থাকেন।
