ম্যাচের শুরুটা মহারাষ্ট্রের জন্য ছিল ভয়াবহ। মাত্র ১.২ ওভারে ৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দল। সেই সময় ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন গায়কোয়াড। ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ইনিংস গড়ে তোলেন তিনি। ১৩১ বল মোকাবিলা করে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে অপরাজিত ১৩৪ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার, যার সুবাদে মহারাষ্ট্র ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৪৯ রান তোলে।
advertisement
গুরুত্বপূর্ণ জুটিতেও বড় ভূমিকা রাখেন গায়কোয়াড। সপ্তম উইকেটে ভিকি ওস্তওয়ালের সঙ্গে ১০৬ রানের জুটি গড়েন তিনি। এরপর অষ্টম উইকেটে রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকারের সঙ্গে মাত্র ৪৩ বলে যোগ হয় ৯১ রান, যা দলের রান বাড়াতে বড় ভূমিকা নেয়। টুর্নামেন্টে এটি ছিল গায়কোয়াডের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি; এর আগে তিনি উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ১২৪ রান করেছিলেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সদ্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে নিজের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করার পরও নিউজিল্যান্ড সিরিজের দলে জায়গা পাননি গায়কোয়াড। শ্রেয়স আইয়ারের প্রত্যাবর্তনের কারণেই তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। তবে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে স্পষ্ট, জাতীয় দলে ফেরার দাবিদার হিসেবে নিজেকে বারবার প্রমাণ করে চলেছেন রুতুরাজ গায়কোয়াড।
