ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় সিএসকে। সেই সিদ্ধান্তই কার্যত কাল হয়ে যায়। ওপেনিং জুটিতে ভাল শুরু করে ৩৭ রান করেন বিরাট কোহলি ও ফিল সল্ট। বিরাট কোহলি ব্যক্তিগত ১৮ বলে ২৮ রানে আউট হন। এরপর সল্ট ও দেবদূত পাড়িক্কল মিলে স্কোরবোর্ড এগিয়ে নিয়ে যান। ঝড়ের গতিতে ৫০ রানের পার্টনারশিপ পূরণ করেন তারা। ৯৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট পড়ে আরসিবির। ৩০ বলে ৪৬ রান করে আউট হন সল্ট।
advertisement
এরপর অধিনায়ক রজত পাতিদার ক্রিজে আসেন। দেবদূত পাড়িক্কলের সঙ্গে রানের গতিবেগ আরও বাড়ান। একের পর এক মারকাটারি শট খেলেন তারা। দেবদূত পাড়িক্কল প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হাফ সেঞ্চুরি করে নিজের ফর্ম ধরে রাখেন। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন তিনি। ১৫১ রানে তৃতীয় উইকেট পড়ে আরসিবির। এরপর ক্রিজে আসেন টিম ডেভিড। তারপর স্লগ ওভারে শুধুই টিম ডেভিড শো।
আরও পড়ুনঃ দলের প্রথম জয়ে কেঁদে ফেললেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা! দুনিয়া দেখল ‘অন্য’ এলএসজি মালিককে!
টিম ডেভিডের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায় সিএসকের বোলিং অ্যাটাক। একটা সময় মনে হচ্ছিল আরসিনি ২১৫ থেকে ২২০ স্কোর পর্যন্ত পৌছতে পারবে। কিন্তু শেষ ৩ ওভারে ৬০-এর বেশি রান করে পুরো খেলাই বদলে দেন অজি তারকা। রজত পাতিদারের অনেক পরে নেমেও নিজের হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেন। সিএসেকর বোলাররা তার ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন করেন। শেষ পর্যন্ত ডেভিড ২৫ বলে ৭০ ও পাতিদার ১৯ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।
