এটি হায়দরাবাদের আইপিএল ইতিহাসে প্রথম ১০ ওভার শেষে সবচেয়ে কম রান। এছাড়াও, এটি আইপিএল ইতিহাসে শুরুর ১০ ওভারের পরে কোনও দলের চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর। লখনউয়ের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন এবং শামি প্রথম ওভারেরই অভিষেক শর্মাকে আউট করে অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন।
অধিনায়ক পন্থ এদিন শামির উপর ভরসা রাখেন। প্রথম ওভারের শেষ বলে অভিষেককে আউট করার পর, পরের ওভারের প্রথম বলেই ট্রেভিস হেডকে আউট করেন শামি। পাওয়ার প্লে-র তিন ওভারে শামি মাত্র ৯ রান দেন এবং ২ উইকেট নেন। লিয়াম লিভিংস্টোনকেও শামির বিরুদ্ধে খেলতে সমস্যায় দেখা যায়।
advertisement
পাওয়ার প্লের শেষে হায়দরাবাদ মাত্র ২২ রান করে। লখনউর বিরুদ্ধে কোনও দলের পাওয়ার প্লের সর্বনিম্ন স্কোর এটি। এর পর অধিনায়ক পন্থ ৯ম ওভারে আবার শামিকে বল ধরান। ওই ওভারে শামি মাত্র ২ রান দেন। মহাম্মদ শামি হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। শামির ইকোনমি রেট ছিল ২.২০।
আরও পড়ুন- রবিবার জোড়া সুখবর, দুই তারকাকে নিয়ে বিগ আপডেট কেকেআর ক্যাম্পে
শামি ২০২৩ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত আইপিএল ম্যাচে পাওয়ার প্লে-তে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়া বোলারদের তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। ২০২৩ সাল থেকে তিনি পাওয়ার প্লেতে মোট ২৫ উইকেট নিয়েছেন। এই তালিকায় ট্রেন্ট বোল্ট শীর্ষে আছেন, তিনি ৩২টি উইকেট নিয়েছেন। শামির পাশাপাশি ভুবনেশ্বর কুমারও ২৫ উইকেট নিয়েছেন। মহম্মদ সিরাজ এবং দীপক চাহার ২৪টি করে উইকেট নিয়েছেন।
