২০০৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই পল স্টার্লিং আয়ারল্যান্ড দলের টপ অর্ডারের ভরসাযোগ্য ব্যাটার। পাওয়ারপ্লে ওভারগুলিতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং তাঁর বড় পরিচয়। শক্তিশালী শারীরিক গঠন ও আত্মবিশ্বাসী মানসিকতার জন্য তিনি অল্প পরিশ্রমেই বড় শট মারতে পারেন। সোজা ড্রাইভ ও মিডউইকেটের ওপর দিয়ে মারা পুল শট তাঁর ব্যাটিংয়ের বিশেষ আকর্ষণ।
advertisement
৩৫ বছর বয়সি স্টার্লিং টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রান সংগ্রাহকদের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট রান ৩,৮৭৪। এর মধ্যে রয়েছে একটি শতরান এবং ২৪টি অর্ধশতরান। এই তালিকায় তাঁর ওপরে রয়েছেন বাবর আজম, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। আয়ারল্যান্ডের আরেক খেলোয়াড় জর্জ ডকরেল ১৫৩ ম্যাচ নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন।
স্টার্লিং বড় ম্যাচের খেলোয়াড় হিসেবেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ২০১২ ও ২০১৩ সালে ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি কোয়ালিফায়ারের ফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর ঝড়ো ইনিংস সবাইকে মুগ্ধ করে। পিঠের চোটের কারণে বর্তমানে তাঁর বোলিং কিছুটা সীমিত হলেও এর আগে তিনি পুরো ওভার বোলিং করেছেন, যার মধ্যে ২০১১ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডের ঐতিহাসিক জয় অন্যতম।
আরও পড়ুনঃ IND vs NZ: শেষ টি-২০ ম্যাচে ভারতীয় দলের ব্যাটিংয়ে ২ বড় বদল! ফিরছেন ২ বিধ্বংসী ক্রিকেটার
ইউএই-এর বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ড ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৮ রান তোলে। মাঝের ওভারে লোরকান টাকার ও কার্টিস ক্যাম্ফারের জুটি দলকে এগিয়ে দেয়। শেষদিকে বেঞ্জামিন ক্যালিটজ ও জর্জ ডকরেলের গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপে দল সম্মানজনক স্কোর গড়ে তোলে। এই ম্যাচ পল স্টার্লিংয়ের রেকর্ডের জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
