অবাঙালি হলেও জন্ম ও বেড়ে ওঠা খড়গপুরেই। ছোটবেলা থেকেই শরীরচর্চা ও মার্শাল আর্টজাতীয় খেলাধুলোর প্রতি ছিল তাঁর গভীর আগ্রহ।
বিশেষ করে লাঠি খেলা ও বিভিন্ন অস্ত্র পরিচালনায় একসময় ছিল অসাধারণ দক্ষতা। নিখুঁত কৌশলে লাঠি ঘোরান, আক্রমণ ও আত্মরক্ষার ভঙ্গি আজও তাঁর শরীরে স্বাভাবিকভাবে ধরা পড়ে।
advertisement
বর্তমান সময়ে বয়সের ভার থাকলেও দক্ষতায় কোনও ভাঁটা পড়েনি। আজও তিনি নিজে বিভিন্ন কৌশলে লাঠি খেলতে পারেন। শুধু লাঠিই নয়, তলোয়ার চালনাতেও তাঁর পারদর্শিতা চোখে পড়ার মত। তাঁর নড়াচড়া, ভারসাম্য ও মনোযোগ দেখে অবাক হন অনেকেই।
তবে শিবাজী রাওয়ের জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ এখন অন্য জায়গায়। নিজের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা তিনি বিলিয়ে দিচ্ছেন নতুন প্রজন্মের মধ্যে। এলাকার বহু ছেলে-মেয়েকে তিনি নিয়মিত লাঠি খেলার প্রশিক্ষণ দেন। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও শৃঙ্খলার পাঠও দেন তাঁদের।
এছাড়াও অবসর সময়ে ছবি আঁকাতেও তিনি সমান পারদর্শী। শিল্পচর্চা ও শরীরচর্চা—এই দুইয়ের সমন্বয়েই যেন তাঁর জীবনের সার্থকতা। শিবাজী রাও প্রমাণ করে দিয়েছেন, বয়স শুধু একটি সংখ্যা। ইচ্ছাশক্তি, নিয়মিত অনুশীলন আর ইতিবাচক মনভাব থাকলে বার্ধক্যকেও হার মানান সম্ভব।
Ranjan Chanda





