বহরমপুরের ভাকুড়িতে তাঁর বাড়ি। সেখান থেকেই প্রথম ক্রিকেট শিখতে চান জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জ ক্রিকেট অ্য়াকাডেমিতে। অফ স্পিনার হিসেবে নিজেকে মেলে ধরেন। অনূর্ধ্ব ১৮ সিএবি টুর্নামেন্টে এক ম্যাচে আট উইকেট নিয়ে খবরের শিরোনামে আসেন।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাবের খেলার সুযোগও পান। তবে ময়দানের রাজনীতির শিকার হয়ে ক্রিকেট কেরিয়ার দীর্ঘায়িত করতে পারেননি। এর পর ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন ছেড়ে থ্রো-ডাউন স্পেশালিস্ট হওয়ার কাজে নিজেকে নিযুক্ত করেন।
advertisement
ছোট থেকেই ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি ব্যাটসম্যানদের কী করে ব্যাটিং অনুশীলনের সময় থ্রো-ডাউন করাতে হয় সেটা শিখে নেন সচিন মণ্ডল। ঘন্টার পর ঘন্টা ক্রিকেটারদের প্রায় ১৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে বল ছুড়তে পারেন। এখন ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই সচিন করে থাকেন।
আরও পড়ুন- Ind vs Pak ম্যাচে অভ্যবতার শাস্তি, হ্যারিস রউফ ২ ম্যাচ সাসপেন্ড, সূর্যকুমার-বুমরাহের ফাইন
সিএবিতে কাজের সুযোগ না পেলেও ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে গিয়ে কাজের সুযোগ পান। এখান থেকে বছর তিনেক আগে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের সঙ্গে যুক্ত হন। স্মৃতি, রিচা, দীপ্তিদের খুব পছন্দের সচিন। ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যাটিং অনুশীলন করানোর সময় থ্রো করেন তিনি। এশিয়া কাপ সেরা হওয়া মহিলাদের দলেও ছিলেন। আর এবার বলা চলে রিচা ঘোষ ছাড়াও বিশ্বকাপ উঠেছে এই বাঙালির হাতেও।
