সোমবার দুপুরে ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে শতদ্রুর জামিন মঞ্জুর করে বিধাননগরআদালত ৷ সন্ধে নাগাদ মুক্তি পান শতদ্রু৷ বেরিয়ে বলেন, ‘‘আমি খুব টায়ার্ড।’’ কার্যত, কোনও মন্তব্য না করেই সাংবাদিকদের সামনে থেকে বেরিয়ে যান মেসি কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত৷
advertisement
যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে প্রবল বিশৃঙ্খলার জেরে সেদিনই বিমানবন্দর থেকে অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক শতদ্রুকে গ্রেফতার করা হয়। প্রথমে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয় শতদ্রুকে। তারপর ২ দফায় বিচারবিভাগীয় হেফাজত দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে ৩৭ দিন পর জামিন পেলেন শতদ্রু।
পুলিশের দাবি ছিল, প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক মেসিকে দেখবেন বলে টিকিট কেটেছিলেন। ১৯ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছিল, মাঠে ঢোকার পরে লিওনেল মেসির গায়ে ও পিঠে একাধিকবার হাত দেওয়াহয়েছিল। এতে মেসি বিরক্ত হয়ে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের বিষয়টি জানান।
নিরাপত্তারক্ষীরা গোটা পরিস্থিতির কথা শতদ্রু দত্তকে জানালে, তিনি তড়িঘড়ি অ্যানাউন্সমেন্ট করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। দেড় ঘণ্টার জন্য নির্ধারিত অনুষ্ঠান মাত্র কুড়ি মিনিটের মধ্যেই শেষ করে মাঠ ছাড়েন মেসি।
