মালদহের ইংরেজবাজার শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কালিতলা এলাকার বাসিন্দা নিলেমা ঘোষ। পেশাগত একজন শিক্ষিকা হিসেবে প্রায় পাঁচ বছর আগেই অবসর নিয়েছেন তিনি। মালদহ শহরের মকদমপুর গার্লস হাইস্কুলে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। পরিবারের রয়েছেন স্বামী এবং একটি মেয়ে। স্বামী গণেশ চন্দ্র দাস একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং মেয়ে ডঃ সুদেষ্ণা দাস ইংরেজবাজার পৌরসভায় একজন হেলথ অফিসার। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রশিক্ষণ নিতেন নীলিমা ঘোষ। তার প্রিয় খেলা হাই জাম্প। শুধুই স্বর্ণপদক নয় ৫ কিমি ওয়াক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়ে রুপো এবং লং জাম্পে তৃতীয় হয়ে ব্রোঞ্জ সহ মোট ৪টি পদক জয় লাভ করেছেন তিনি।
advertisement
স্বর্ণপদক জয়ী নীলিমা ঘোষ জানান,”পাঁচ বছর আগে অবসর নেওয়ার পরও থেমে থাকেনি ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাফল্য হওয়ার আগামীর লক্ষ্য। শিক্ষিকা হিসেবে ছেলে-মেয়েদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতে মাঠে যেতাম। পাশাপাশি নিজেও একাধিক প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশগ্রহণ করতাম। রাজ্য থেকে জাতীয় স্তর একাধিক জায়গায় স্বর্ণপদক সহ একাধিক পদক অর্জন করেছি।” মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য দেবব্রত সাহা বলেন,”তিনি আমাদের ক্লাবের সদস্য। অবসরের পর আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছিলাম যাতে তিনি খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। ছেলেমেয়েদের খেলাধুলার প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নিজেও নিয়মিত শরীরচর্চা এবং খেলাধুলার প্রশিক্ষণ নেন। আমরাই তাকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসাহ দিয়েছিলাম। আন্তর্জাতিক স্তরে প্রথম হয়েছেন খুব ভাল লাগছে। তার এমন সাফল্য জেলার নাম উজ্জ্বল করেছে।”
আরও পড়ুনঃ IND vs ENG: আর কত সুযোগ পাবে করুন নায়ার? এবার কি ৪ বছরের অপেক্ষায় অবসান হবে তারকা ব্যাটারের?
এর আগে রাজ্য সহ জাতীয় স্তরে একাধিক পদক জিতেছেন নীলিমা ঘোষ। তবে এবারে জাতীয় স্তরের পর আন্তর্জাতিক স্তরে এমন সাফল্য গড়ে শুধু জেলা বা রাজ্য নয় দেশের নামও উজ্জ্বল করেছেন মালদহের ৬৫ ঊর্ধ্ব নীলিমা ঘোষ। তার এমন সাফল্যে খুশির হাওয়া দেখা দিয়েছে জেলার ক্রীড়া মহলে।
জিএম মোমিন।





