Kavya Maran and Abrar Ahamed: এবার হবে কোন তুলকালাম! ছক ভেঙে পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে সই করালেন কাব্যা মারান
- Published by:Debalina Datta
Last Updated:
Kavya Maran and Abrar Ahamed: ২০০৯ সালের পর আবরার আহমেদই প্রথম পাকিস্তানি খেলোয়াড় যাকে ভারতীয় দলের মালিক কিনেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।
advertisement
1/6

কলকাতা: লন্ডনে দ্য হান্ড্রেড নিলামে পাকিস্তানি খেলোয়াড় আবরার আহমেদকে কিনে সানরাইজার্স লিডসের মালিক কাব্য মারান এক আশ্চর্যজনক সিদ্ধান্ত নিলেন। ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে হওয়ার পর দু দলের মধ্যে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয় না, পাশাপাশি আইপিএলেও আর খেলেন না কোনও পাকিস্তানি ক্রিকেটার৷ এই প্রেক্ষিতে এক পাকিস্তানি প্লেয়ারকে কেনার সাহসী সিদ্ধান্তের পথে হাঁটলেন ভারতীয় মালকিন৷ জানেন কি কত টাকা দেওয়া হয়েছিল?
advertisement
2/6
লন্ডনে আয়োজিত নিলামে, মারানের সানরাইজার্স লিডস দল পাকিস্তানি স্পিনার আবরার আহমেদকে তাঁদের দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে। মারান আবরার আহমেদকে ১৯০,০০০ পাউন্ড বা ২৩৪ মিলিয়ন টাকারও বেশি মূল্যে কিনেছেন।
advertisement
3/6
কাব্যা মারানের দল পাকিস্তানি খেলোয়াড় আবরার আহমেদকে কিনতে ট্রেন্ট রকেটসের সঙ্গে নিলাম টেবলে জোর টক্কর নেয়৷ শেষ পর্যন্ত, মারানের দল সানরাইজার্স লিডস বিড জিতে নেয়। জানা গেছে যে কাব্যা মারানের কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরি মিস্ট্রি স্পিনারের উপর আগ্রহী ছিলেন, যে কারণে তিনি তার উপর এত বড় বাজি ধরেছিলেন।
advertisement
4/6
তবে, মারানের এই পদক্ষেপ তার দলের পক্ষে একটি কাঁটা হয়ে উঠতে পারে, কারণ আবরার একজন পাকিস্তানি খেলোয়াড়, যা কাব্যেক ভারতে বড় প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে৷
advertisement
5/6
আবরার আহমেদের কেরিয়ারএই খেলোয়াড়ের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা খুবই খারাপ ছিল। তার পরিসংখ্যান ছিল খুবই হতাশাজনক, চার ম্যাচে ছয় উইকেট নিয়েছিলেন, তার ইকোনমি রেট ছিল খুবই খারাপ। ভারতের বিপক্ষে, তিনি ৩৮ রান দিয়েছিলেন এবং একটিও উইকেট পাননি। তবে, তিনি একজন রহস্যময় বোলার এবং উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, যে কারণে কাব্যা মারানের দল তাঁর উপর বাজি রেখেছে৷
advertisement
6/6
২০০৯ সালের পর আবরার আহমেদই প্রথম পাকিস্তানি খেলোয়াড় যাকে ভারতীয় দলের মালিক কিনেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে। সম্প্রতি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশি ফাস্ট বোলার মুস্তাফিজুর রহমানকেও আইপিএল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আবরার আহমেদের ক্ষেত্রেও যদি একই ঘটনা ঘটে, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।