ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে বৈঠকে অধিকাংশ খেলোয়াড়ই হতাশ হন। তারা ভেবেছিলেন, এই বৈঠকে নিজেদের মতামত তুলে ধরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, বৈঠকে খেলোয়াড়দের কথা শোনা হলেও সেগুলোর কোনো প্রভাব পড়েনি। সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া ছিল বলে খেলোয়াড়দের অনেকেরই মনে হয়েছে।
বাংলাদেশ টি–টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস এবং টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপে খেলার পক্ষে মত দিয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। তবে বিসিবি নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে তাদের সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। বোর্ডের পক্ষ থেকে কিছু আগের ঘটনার কথা তুলে ধরে বলা হয়, ভারতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
advertisement
খেলোয়াড়দের আরও জানানো হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের সঙ্গে সরাসরি কোনো যোগাযোগ হয়নি। ফলে এমন পরিস্থিতিতে দল পাঠানো কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে বিসিবি। যদিও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল খেলোয়াড়দের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন, তবে অনেক ক্রিকেটারের ধারণা—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বৈঠকের আগেই নেওয়া হয়েছিল।
এদিকে এই সিদ্ধান্তকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন অনেকেই। বিসিবির অবস্থানকে সরকারের সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রতিফলন বলেও মত দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিসিবি ইতোমধ্যে আইসিসির বিরুদ্ধে ‘অন্যায় আচরণ’-এর অভিযোগ তুলেছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
