আরও পড়ুন - Sania Mirza : পাকিস্তানি মহিলাদের টেনিস শেখাবেন সানিয়া মির্জা? পুরো সত্যিটা জানুন
আসলে এই বিশ্বকাপ জিতে মারাদোনাকে উৎসর্গ করতে চায় আর্জেন্টিনা। রবিবার রাত থেকেই ফুটবলদুনিয়া মেসিময়। প্রতিপক্ষ দুর্বল এস্তোনিয়া হলেও বাঁ পায়ের জাদুকরের পাঁচ গোল ঝড় তুলেছে অনুরাগীদের হৃদয়ে। লিওকে ঘিরেই কাতার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন বিশ্বের নীল-সাদা ভক্তরা।
advertisement
উল্লেখ্য, মেসিই বিশ্বের একমাত্র ফুটবলার যিনি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাঁচ গোলের স্বাদ পেলেন। যদিও এই দু’টি ম্যাচের সময়ের ব্যবধান ১০ বছর। ২০১২ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বেয়ার লেভারকুসনের জাল পাঁচবার কাঁপিয়েছিলেন এলএমটেন। রবিবার সেই স্মৃতি ফেরালেন তিনি।
আন্তর্জাতিক গোলের নিরিখে টপকে গেলেন হাঙ্গেরির ফেরেঙ্ক পুসকাসকে (৮৪)। আর্জেন্তিনার জার্সিতে লিওর গোল সংখ্যা এখন ৮৬। তাঁর সামনে রয়েছেন মোখতার দাহিরি (৮৯), আলি দায়ি (১০৯) ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (১১৭)। শক্তির নিরিখে অবশ্য আর্জেন্তিনার থেকে কয়েক আলোকবর্ষ পিছিয়ে এস্তোনিয়া। কিন্তু প্রতিপক্ষ যেমনই হোক, পাঁচ গোল তো আর মুখের কথা নয়!
আর্জেন্তিনার কোচ লায়োনেল স্কালোনি তো বলেই ফেললেন, মেসির জন্য এবার নতুন বিশেষণ খুঁজতে হবে। কী বলব তা বুঝতে পারছি না। ওর শিল্পের দাপটে আমার শব্দভাণ্ডারে টান পড়ছে। মাঠে নেমে অবিশ্বাস্য কিছু করাই লিওর অভ্যাস। বিপক্ষে গোলের সামনে ও নৃশংস। বিন্দুমাত্র মায়াদয়া নেই। আশা করব, ভবিষ্যতে এরকমভাবেই মেসি যেন আর্জেন্তিনার বিজয়পতাকা ওড়ায়।
এই ম্যাচের পর আমি শুধু ওকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে চাই। জানি, লিও অবসর নিলে ফুটবলই বিবর্ণ হবে। দেশের জার্সি গায়ে এটি মেসির অষ্টম হ্যাটট্রিক। আর এই প্রথমবার জাতীয় দলের হয়ে তিনটির বেশি গোল করলেন তিনি। তবে বরাবরের মতো ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের থেকে দলের সাফল্যকেই এগিয়ে রাখছেন মারাদোনার উত্তরসূরি।
আর্জেন্তাইন মহাতারকার কথায়, এর চেয়ে ভালোভাবে মরশুম শেষ করতে পারতাম না। ফাইনালিসম খেতাব জিতেছি। টানা ৩৩ ম্যাচে আমরা অপরাজিত। তারপর বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে আরও একটা দারুণ ম্যাচ খেললাম। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাই। মারাদোনা মেসির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে খুঁত ধরলেও ফুটবলার হিসেবে মেসিকে হাত খুলে নম্বর দিতেন। কিছুটা অভিমান ছিল মেসির।
