সেখানে তিনটি টেস্টে এগারোটি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। শেষ টেস্টে পেটের পেশির টানে খেলতে পারেননি তিনি। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজে চেন্নাইতে প্রথম ম্যাচে চার উইকেট নিলেও দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গোলাপি বলে টেস্টে জোরে বোলাররা বড় ভূমিকা পালন করতে পারেন এমনটাই মনে করেছিলেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সব ভাবনাকে ভুল প্রমাণ করে দাপট দেখিয়েছেন স্পিনাররা। পেসাররা ছিলেন দর্শকের ভূমিকায়।
advertisement
এমনিতেও চতুর্থ টেস্টের পর একদিনের সিরিজে বুমরাহকে বিশ্রাম দেওয়ার ভাবনা ছিল ভারতের। বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে এই মুহূর্তে বুমরাহর জায়গায় কোনও অতিরিক্ত পরিবর্তন নেওয়া হবে না। যাতে পরিষ্কার হয়ে গেল শেষ টেস্টে ইশান্ত শর্মার সঙ্গে জোরে বোলার হিসেবে বল করবেন মহম্মদ সিরাজ। এমনিতেই এই পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড যেমন ক্রিকেটারদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিসিসিআই অনেক সংখ্যায় না হলেও প্রয়োজনে ক্রিকেটারদের বিশ্রাম নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই অর্থে ব্যাপকভাবে রোটেশন পদ্ধতি করতে রাজি নয় ভারতীয় বোর্ড।
মাথায় রাখতে হচ্ছে আইপিএলের কথা। এখনও তারিখ এবং জায়গা ঘোষণা না হলেও মনে করা হচ্ছে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হতে পারে ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট। বুমরাহকে তাই বিশ্রামে রাখাটা জরুরি। ফাস্ট বোলারদের পরিশ্রম ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি। কোমর এবং হাঁটুর ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ সহ্য করতে হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে ছোট হয়ে যায় ক্রিকেট কেরিয়ার। আর বুমরাহ এমন একজন বোলার যিনি ভারতের অন্যতম বড় সম্পদ। তাই তাঁকে নিয়ে বিসিসিআই বাড়তি সাবধান হবে সেটাই স্বাভাবিক।
