বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ আহমেদাবাদে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় গিল এই কথা বলেন। ভারতের টেস্ট ও ওডিআই অধিনায়ক শুভমান গিল স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে আইপিএল ২০২৬-এ তাঁর কাউকে কিছু প্রমাণ করার নেই, যদিও এই টুর্নামেন্টটি এমন সময়ে হচ্ছে যখন তার মাসখানেক আগেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। গিল বছরের পর বছর ধরে আইপিএলে ব্যাট হাতে তাঁর ধারাবাহিকতার ওপর জোর দিয়েছেন এবং বলেছেন যে আগামী মরশুমেও তিনি রান করে যাবেন ও শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে দলকে সাহায্য করবেন। আগামী ২৮ মার্চ থেকে এই মরশুম শুরু হবে।
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, আহমেদাবাদে গুজরাট টাইটান্সের প্রধান কোচ আশিস নেহরার পাশে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়, আইপিএল ২০২৬ ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে নিজের জায়গা ফিরে পাওয়ার মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে গিল স্পষ্ট ভাষায় উত্তর দেন।
তিনি সোজাসাপ্টা বলেন, ‘‘মোটেই না, স্যার। আমার কাউকে কিছু প্রমাণ করার দরকার নেই। আপনি যদি গত তিন-চারটি আইপিএল মরশুমের দিকে তাকান, দেখবেন আমিই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান করেছি। আমার মনে হয় না আমার কিছু প্রমাণ করার আছে, বিশেষ করে এই মরশুমে।’’
“এই দলের হয়ে খেলা চার বছরে আমরা দল হিসেবে বেশ ভালই করেছি এবং ব্যাটসম্যান হিসেবেও আমি ভাল খেলেছি। কারও কাছে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার প্রয়োজন আমি অনুভব করি না। গত চার বছর ধরে আমি যা করে আসছি, আমাকে শুধু সেটাই চালিয়ে যেতে হবে। দল হিসেবে আমাদের ধারাবাহিক থাকতে হবে – যা আমার বিশ্বাস আমরা হয়েওছি – এবং যদি আমরা তা ধরে রাখতে পারি, আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা ট্রফিটা জিতে নিতে পারব,” তিনি বলেন।
গত বছর রোহিত শর্মার টেস্ট ফরম্যাট থেকে অবসরের পর ভারতের টেস্ট অধিনায়ক নিযুক্ত হওয়া গিলকে ২০২৫ সালের শেষের দিকে ওডিআই অধিনায়কের দায়িত্বও দেওয়া হয়। এমন জল্পনা বাড়ছিল যে, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং বিসিসিআই কর্তৃপক্ষ তাঁকে ভারতের পরবর্তী সব ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে গড়ে তুলছে।
গুজরাত টাইটান্স অধিনায়ককে গত বছরের এশিয়া কাপে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের সহ-অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল, যা প্রায় এক বছর পর এই ফরম্যাটে তাঁর প্রত্যাবর্তনও চিহ্নিত করে। ইনিংসের শুরুতে গিলকে জায়গা করে দিতে ভারত সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার সফল ওপেনিং জুটি ভেঙে দেয়।
