২০২৪ সালে ক্যারিবিয়ানে বিশ্বকাপ জয়ের পর জিতেশ ভারতের টি–টোয়েন্টি দলে নিয়মিতভাবে ছিলেন। তবে সীমিত কয়েকটি সুযোগ পেলেও তিনি সেভাবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি। অন্যদিকে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আবার দলে জায়গা করে নেন ইশান কিশান।
বিশ্বকাপের দলে জায়গা না পাওয়ার খবর শুনে প্রথমে হতাশ হয়েছিলেন জিতেশ। তিনি জানান, এমন বড় প্রতিযোগিতায় দেশের হয়ে খেলার সুযোগ হারানো যে কোনো ক্রিকেটারের জন্যই কষ্টের। তবুও তিনি ধীরে ধীরে সেই হতাশা কাটিয়ে ওঠেন। জিতেশ বলেন, “খবরটি পাওয়ার পর আমি একটু ভেঙে পড়েছিলাম। আমি তো মানুষ, তাই স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবার ও বন্ধুদের সমর্থনে সেই সময়টা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি।”
advertisement
এই সময়েই তাঁর জীবনে আসে আরও বড় দুঃখের খবর। জিতেশের বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ১ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান। বাবার অসুস্থতার সময় জিতেশ তাঁর পাশে ছিলেন এবং টানা সাত দিন তাঁর যত্ন নেন। বলেন, “আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং ১ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান। সেই সময় সাত দিন আমি তাঁর সঙ্গেই ছিলাম। পরে বুঝেছি, বিশ্বকাপের চেয়ে আমার বাবার আমাকে বেশি প্রয়োজন ছিল। তাই এ নিয়ে আমার কোনো আক্ষেপ নেই। বাবার শেষ সময়ে তাঁর পাশে থাকতে পেরেছি—এর জন্য আমি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ।”
বাবার শেষ সময়ে তাঁর পাশে থাকতে পেরেছেন বলে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। জিতেশ আরও বলেন, বাড়িতে বসে বিশ্বকাপ দেখা তাঁর জন্য একেবারেই আলাদা অভিজ্ঞতা ছিল। মাঠে খেলার চেয়ে এটি অনেক বেশি চাপের মনে হয়েছে। তবুও তিনি দলের সাফল্যে খুব খুশি এবং মনে করেন, কোচ, অধিনায়ক ও দলের যে লক্ষ্য ছিল, ভারতীয় ক্রিকেটাররা কঠোর পরিশ্রম করে তা পূরণ করতে পেরেছেন।
