এদিন জয়ের জন্য আমেরিকার দরকার ছিল ১৬২ রান৷ আন্দ্রিয়াস গাউস ও মুক্কামালাকে আউট করে নিজের স্টেটমেন্ট দেন মহম্মদ সিরাজ৷ অর্শদীপ সিং মোনাক প্যাটেলকে ০ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠিয়ে দেন৷ ১৩ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল আমেরিকা৷
এরপর মিলিন্দ কুমার এবং সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি যথাক্রমে ৩৪ ও ৩৭ রান করে দলের মিডল অর্ডারকে একটু ভদ্রস্থ জায়গায় নিয়ে যান৷ শুভম রানজানে ১৭ রানে আউট হন৷ অর্শদীপ সিং ৪ ওভারে ২ উইকেট নেন, অক্ষর প্যাটেলও ২ উইকেট নেন৷ মহম্মদ সিরাজ ৩ উইকেট নেন৷
advertisement
এদিকে ম্যাচ জিতলেও প্রথমে ব্যাট করার সময় ভারত বেশ চোখে সর্ষে ফুল দেখে৷ ভারত-পাকিস্তান বংশোদ্ভুত আমেরিকা দলের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে যেতে হল ভারতের গর্বের ব্যাটিং লাইন আপকে৷ এদিন টসে জিতে আমেরিকা প্রথমে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায়৷ এদিন ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান করে ভারত৷ অধিনায়ক সূর্যকুমারের অর্ধশতরানে ভর দিয়ে নিজেদের লক্ষ্য তৈরি করে ভারত৷
সূর্যকুমার যাদবের হাফ সেঞ্চুরি
অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এদিন ৪৯ বলে ৮৪ রান করেন৷ তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল চার ও ৩ টি ছক্কা দিয়ে৷
হার্দিকের ফ্লপ শো টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে
এদিন শুরুতেই ভারতের টি টোয়েন্টি ম্যাচের ধামাকা প্লেয়ার অভিষেক শর্মা টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচে শূন্য রানেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন৷ নিজের ফেস করা প্রথম বলেই আউট হন তিনি৷ আলি খানের শিকার তিনি৷ দারুণ ছন্দে থাকা ইশান কিষাণ শুরুটা ভাল করলেও ২০ রানে ক্যাচ আউট হন৷ তাঁর উইকেট নেন স্কালিক৷
তিলক ভর্মা ২৫ করে স্কালিকেরই শিকার৷ তাঁর শুরুটাও ছন্দে ছিল, কিন্তু বড় স্কোর করা তাঁর দ্বারাও হয়নি৷ ১৬ বলে ২৫ করে ক্যাচ আউট হন তিনি৷ এরপর শিভম দুবে, রিঙ্কু ও হার্দিক পান্ডিয়ার কাহিনি আয়রাম-গয়ারামের৷ শিভম দুবেও স্কালিকেরই বলে ক্যাচ আউট হয়ে যান৷ তাঁর স্কোর ০৷ রিঙ্কু ৬, হার্দিক ৫ রান করেন৷ তাঁরাও প্রত্যেকেই ক্যাচ আউট হন৷ রিঙ্কুর উইকেট নেন মহম্মদ মহসিন৷ হার্দিকের উইকেট নেন হরমিত সিং৷
অক্ষর প্যাটেল ১৪ রান করে সূর্যকুমারকে কিছুটা সঙ্গত দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন কিন্তু তাঁর ইনিংসে ফুলস্টপ লাগিয়ে দেন হরমিত সিং৷ অর্শদীপ সিংও স্কালিকের শিকার৷ তাঁর উইকেট নিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিজের নামে চার উইকেট করে নিলেন তিনি৷
