তাঁর জায়গায় দলের অধিনায়কত্ব করবেন কেএল রাহুল। শুধু রোহিত শর্মাই নয় একাধিক সিনিয়র ক্রিকেটারও এই সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে৷ বিরাট কোহলি এবং জসপ্রীত বুমরাহও ভারতীয় দলের অংশ নন। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের ওপর সিরিজ জয়ের চাপ থাকবে। টিম ইন্ডিয়াতে বেশ কিছু নতুন খেলোয়াড়কে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছেন উমরান মালিক ও আরশদীপ সিং। প্রায় চার বছর পর দলে ফিরেছেন দীনেশ কার্তিক।
advertisement
আরও পড়ুন - চরম প্রেম! দ্বিতীবার বিয়ে করছে স্ত্রী, বন্ধুবান্ধব নিয়ে প্রথম স্বামী হাজির নতুন স্বামীর বাড়িতে, তারপর...
ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে খেলা টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে জানা যাক কোন দল কোন দলের উপর ভারী।ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের কথা বলতে গেলে, টিম ইন্ডিয়ার পাল্লা ভারী। এখন পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে ১৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা হয়েছে। যার মধ্যে ভারত জিতেছে ৯টি এবং দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছে ৬টি ম্যাচে।
ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা দেশের মধ্যে কোন ম্যাচ টাই বা অমীমাংসিত ছিল না৷ এই পরিসংখ্যান দেখায় যে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকার পথ সহজ হবে না। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৬টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলা হয়েছে। ভারত ২০০৬-২০০৭, ২০১০-২০১১ এবং ২০১৭-২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারিয়েছিল। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১১-২০১২ এবং ২০১৫-২০১৬ টি-টোয়েন্টি সিরিজে টিম ইন্ডিয়াকে হারিয়েছিল। এই সময়ে, ২০১৯-২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে খেলা টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র হয়েছিল।
ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে।টি-টোয়েন্টিতে দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর নিয়ে কথা বললে ভারতের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের বিপক্ষে ২বার তারা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০০র বেশি রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩০ মার্চ ২০১২ তে জোহানেসবার্গে খেলা ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে ২১৯ রান করেছিল। ২ অক্টোবর ২০১৫, ধর্মশালায় দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ উইকেটে ২০০ রান করে। ভারত এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মাত্র একবার ২০০ রানের স্কোর পেরিয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে, টিম ইন্ডিয়া ৫ উইকেটে ২০৩ রান করেছিল।
