ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ২৫২ রান করে ভারত। প্রথম উইকেটে অ্যারন জর্জ ও বৈভব সূর্যবংশী শুরুটা ভালই করেছিল ভারতীয় দুই ওপেনার। ৪৭ রানের পার্টনারশিপ করে দুজনে। কিন্তু ওপেনিং জুটি ভাঙতেই পরপর ৩টি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। বৈভব সূর্যবংশী করেন ৩০ রান। অ্যারন জর্জ ১৬ ও আয়ূশ মাত্রে খাতা না খুলেই সাজঘরে ফেরত যান। সেখান থেকে ৬২ রানের পার্টনারশিপ করে দলকে কিছুটা হলেও ম্যাচে ফেরান ভেদান্ত ত্রিবেদী ও বিহান মালহোত্রা।
advertisement
চোয়ালচাপা লড়াই করে হাফ সেঞ্চুরি করেন ভেদান্ত। শেষ পর্যন্ত তিনি ফেরেন ৬৮ রান করে। অপরদিকে কেউ বড় রান না পেলেও বিহান মালহোত্রা ২১ ও অভিজ্ঞান কুন্ডু ২১, আরএস অমব্রীশ ২৯, কণিষ্ক চৌহান ৩৫ ও খিলান প্যাটেল ২১ রান করে দলের স্কোর ২৫০ পার নিয়ে যান। ৪৯.৫ ওভারে ২৫২ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতীয় দল। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন আব্দুল সুভান।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতে একটি উইকেট হারালেও হামজা জাহুর ও উসমান খানের পার্টনারশিপ পাকিস্তানকে শক্ত ভিত গড়ে দেয়। ৬৫ রান যোগ করে তারা। জাহুর ৪২ রানের ফেরার পর উসমানের সঙ্গে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান ফরহান ইউসাফ। ৬৩ রানের পার্টনারশিপ করেন তারাও। হাফ সেঞ্চুরি করেন উসমান খান। একটা সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ১৫১ রানে ২ উইকেট।
অনেকেই ভেবেছিল ম্যাচ ভারতের হাত থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। সেখান থেকেই কামব্যাক করেন ভারতীয় বোলাররা। উসমান ৬৬ ও ইউসাফ ৩৮ রানে ফিরতেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ব্যাটিংয়ে রান না পেলেও দুরন্ত বোলিং করেন আয়ূশ মাত্রে। একাই ৩টি উইকেট নেন তিনি। এছাড়া খিলান প্যাটেলও ৩টি উইকেট নেন। ৪৬.২ ওভারে ১৯৪ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। প্রতিযোগিতায় অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে গেল ভারত।
