আইসিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী খেলতে অস্বীকার করলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার পক্ষ থেকে পিসিবিকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, টুর্নামেন্টের শৃঙ্খলা ভাঙলে তার বড় মূল্য দিতে হতে পারে। আইসিসি সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান যদি অংশ না নেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।
advertisement
সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা, আইসিসি থেকে প্রাপ্ত বার্ষিক রাজস্ব বন্ধ করা এবং দ্বিপাক্ষিক সিরিজে নিষেধাজ্ঞা। এর পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট ও আইসিসি র্যাঙ্কিংয়েও বড় প্রভাব পড়তে পারে। এসব সিদ্ধান্ত পিসিবির ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সবচেয়ে বড় আর্থিক ধাক্কা আসতে পারে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হলে। সাধারণত এই ম্যাচে বিজ্ঞাপন থেকে বিপুল রাজস্ব আসে। ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের দাম ২৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়। শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই প্রায় ২০০ কোটির বেশি রুপির ক্ষতি হতে পারে। এই ক্ষতির দায় পিসিবিকে আইসিসির হোস্ট ব্রডকাস্টার জিও-স্টারকে দিতে হতে পারে।
এছাড়া পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) নিয়েও বড় শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইসিসি বিদেশি আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের পিএসএলে খেলতে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে, ফ্রি এজেন্টদের বাদ দিয়ে। এতে পিএসএলের মান ও জনপ্রিয়তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে তাদের জায়গায় উগান্ডাকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইসিসির বোর্ড বৈঠকের পর নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ India vs Pakistan আর একটি ভুল! তাহলেই টি-২০ বিশ্বকাপে সব স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে পাকিস্তানের! কারণট কী?
আইসিসির এমন ৫টি সিদ্ধান্ত যা পিসিবির জন্য ভয়াবহ হতে পারে—
১. টুর্নামেন্ট থেকে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা।
২. আইসিসি থেকে প্রাপ্ত বার্ষিক রাজস্ব বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
৩. জিও-স্টারকে হওয়া রাজস্ব ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে পিসিবিকে বাধ্য করা হতে পারে।
৪. দ্বিপাক্ষিক সিরিজে নিষেধাজ্ঞা, ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট ও আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব পড়তে পারে।
৫. সব বিদেশি খেলোয়াড়কে (ফ্রি এজেন্ট ছাড়া) পিএসএলে খেলতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।
