সূর্যকুমারের নেতৃত্বে ভারত গত ২৫টি টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মধ্যে ১৮টিতে জয় পেয়েছে, যা দলের ধারাবাহিকতার প্রমাণ। এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন ওপেনার অভিষেক শর্মা, যিনি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে দেন। পাশাপাশি মাঝের ওভারে বরুণ চক্রবর্তীর মিস্ট্রি স্পিন প্রতিপক্ষের রানের গতি থামিয়ে দেয়। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডও পিছিয়ে নেই—২০২৪ টি২০ বিশ্বকাপের পর তারা ২১ ম্যাচে ১৩টি জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে।
advertisement
এই সিরিজে সবচেয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন সূর্যকুমার যাদবের নিজের ফর্ম। গত ১৯ ম্যাচে কোনো অর্ধশতরান নেই, তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ২১৮ রান। দলের স্বার্থে তিনি নিজেকে চার নম্বরে নামিয়েছেন, যাতে তিলক ভার্মা বেশি সময় ব্যাট করতে পারেন। তবে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর ব্যাটে রান না আসা ড্রেসিংরুমে প্রভাব ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে শ্রেয়স আইয়ারের মতো ধারাবাহিক পারফর্মারের দলে না থাকা নিয়েও আলোচনা বাড়ছে।
ইতিবাচক দিক হলো, এই সিরিজে ফিরছেন হার্দিক পান্ডিয়া ও জসপ্রীত বুমরাহ। হার্দিকের অলরাউন্ড দক্ষতা দলে ভারসাম্য এনে দেয় এবং বুমরাহর উপস্থিতি বোলিং আক্রমণকে আরও ধারালো করে তোলে। বরুণ চক্রবর্তী মাঝের ওভারে ভারতের বড় অস্ত্র হতে পারেন, বিশেষ করে যখন কুলদীপ যাদব ফর্মে নেই। সপ্তম থেকে পঞ্চদশ ওভারে বরুণের বোলিং ম্যাচের মোড় ঘোরাতে সক্ষম।
আরও পড়ুনঃ IND vs NZ: ১০ প্লেয়ার বদল! ৩ জনের অবসর, ভারতের টি-২০ স্কোয়াডে কারা রয়েছে? দেখে নিন
নিউজিল্যান্ড দলও কম শক্তিশালী নয়। গত এক বছরে তারা ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ক্লিন সুইপ এবং ওয়ানডে সিরিজ জয়সহ বড় সাফল্য পেয়েছে। ডেভন কনওয়ে, মিচেল স্যান্টনার, ড্যারিল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস ও জ্যাকব ডাফির মতো খেলোয়াড়দের নিয়ে কিউই দল ভারতকে কঠিন চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত। ফলে এই সিরিজ শুধু প্রস্তুতির মঞ্চ নয়, বরং দুই শক্তিশালী দলের মধ্যে মর্যাদার লড়াই হিসেবেও বিবেচিত হবে।
