এর পর বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ-স্টেজ ম্যাচ বয়কট করার হুমকি দেয়। যদিও পরে তারা তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ সেই সময় যাবতীয় বিতর্ক চলাকালীন চুপ ছিলেন। এবার সেই তিনিই টুর্নামেন্টের আগের নাটক নিয়ে মুখ খুলেছেন।
মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত Indian Business Leader Awards-এ বক্তব্য রাখার সময় জয় শাহ বলেন, কীভাবে কিছু দলের অংশগ্রহণ নিয়ে দোটানায় পুরো টুর্নামেন্টের ভাগ্য বিপন্ন হতে পারত। ক্রিকেটের বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রধান হিসেবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, “কোনও দল সংস্থার চেয়েও বড় নয়।”
advertisement
জয় শাহ বলেন, “এই টি-২০ বিশ্বকাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে অনেক আলোচনা চলছিল। কিছু দল অংশ নেবে কি না এবং বিশ্বকাপ কীভাবে এগোবে সেসব নিয়ে। আইসিসি-র চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বলতে পারি, কোনও দলই সংস্থার চেয়েও বড় নয় এবং কোনও একক দলই সংস্থা তৈরি করে না। একটি সংস্থা সব দলের সমন্বয়ে গঠিত।”
তিনি ২০২৬ সালের টি-২০-এর ভিউয়ারশিপের মহাসাফল্যকেও তুলে ধরেছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ৭.২ মিলিয়ন ক্রিকেটপ্রেমী দর্শক টুর্নামেন্ট দেখেছিলেন।
“বিশ্বকাপ সব ভিউয়ারশিপ রেকর্ড ভেঙেছে। ইতিহাসে প্রথমবার আমরা ৭.২ মিলিয়ন দর্শকের রেকর্ড করেছি। মোট ভিউয়ারশিপের সব রেকর্ড ভেঙেছে। আপনি দেখবেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে চ্যালেঞ্জ করেছে, নেদারল্যান্ডস পাকিস্তানকে বিপাকে ফেলেছে, জিম্বাবোয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে, এবং নেপাল ইংল্যান্ডকে আতঙ্কিত করেছে। আমি সমস্ত অ্যাসোসিয়েট দলকে অভিনন্দন জানাই। তারা ফুল মেম্বারের বিরুদ্ধে খুব ভাল করেছে,” তিনি আরও যোগ করেন।
শাহ আরও বলেন, “আমার সুর্য এবং গৌতম ভাইদের জন্য একটি বার্তা আছে। শীর্ষ থেকে তলায় পড়তে মাত্র কয়েক মাস লাগে, কিন্তু তলা থেকে শীর্ষে উঠতে বছর লাগে। কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান এবং পুরস্কার জিতে যান। যখন আমি বিসিসিআইতে ছিলাম, তখন আমি ২০২৮ সালের অলিম্পিক পর্যন্ত পরিকল্পনা করেছিলাম। এখন আমি আইসিসিতে আছি। আর অন্যরা বিসিসিআই-এর দায়িত্বে আছেন। আপনাদের সবারই ২০৩০, ২০৩১ এবং এমনকী ২০৩৬-এর জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত,” তিনি বলেন।
