শেষ ওভারে জয়ের জন্য নেপালের দরকার ছিল ১০ রান। কিন্তু তারা করতে পারেনি। শেষ ওভারে তারা করে মাত্র ৫ রান। জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও ৪ রানে ম্যাচ হেরে যায় তারা। ইংল্যান্ডের হয়ে শেষ ওভারটি করেন স্যাম কারান।
১৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেপাল ক্রিকেট দল দুর্দান্ত লড়াইয়ের মানসিকতা দেখায়। কুশল ভুর্তেল ১৭ বলে ২৯ রান, অধিনায়ক রোহিত পাওডেল ৩৪ বলে ৩৯ রান, দীপেন্দ্র সিং আইরি ২৯ বলে ৪৪ রান এবং লোকেশ বাম ২০ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন। এই পারফরম্যান্সের সুবাদে নেপাল ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান তোলে।
advertisement
জয় থেকে নেপাল মাত্র এক শট দূরে থেকে যায়। শেষ ওভারে স্যাম কারান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও লিগ ক্রিকেটে অর্জিত নিজের পুরো অভিজ্ঞতার পরিচয় দেন। ফলে ইংল্যান্ড জয় নিশ্চিত করে ফেলে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কম অভিজ্ঞতা এবং বড় দলের বিরুদ্ধে কম ম্যাচ খেলার অভাব নেপালের হারের কারণ হয়ে দাঁড়ালেও, এশিয়ার এই উদীয়মান দলটি ম্যাচজুড়ে দারুণ ব্যাটিং ও লড়াকু মানসিকতা দেখিয়ে শেষ বল পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে চাপে রেখেছিল।
আরও পড়ুন- দলে ফেরার জন্য প্রস্তুত এই ক্রিকেটার, আমেরিকাকে হারানোর পরেই কী ঘোষণা সূর্যকুমারের?
ইংল্যান্ডের হয়ে লিয়াম ডসন ২টি উইকেট নেন, আর লুক উড, জোফ্রা আর্চার, উইল জ্যাকস ও স্যাম কারান ১টি করে উইকেট শিকার করেন। এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রান তোলে। জ্যাকব বেথেল ও অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক দু’জনেই অর্ধশতরান করেন। বেথেল ৩৫ বলে ৪টি ছক্কা ও ৪টি চারের সাহায্যে ৫৫ রান করেন, আর ব্রুক ৩২ বলে ৩টি ছক্কা ও ৪টি চারের সাহায্যে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন।
এছাড়া সাত নম্বরে নামা উইল জ্যাকস ১৮ বলে ৪টি ছক্কার সাহায্যে দ্রুত ৩৯ রান করেন। জস বাটলারও ১৭ বলে ২৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য উইল জ্যাকসকে ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত করা হয়।
