সাধারণ মানুষ থেকে খেলোয়াড় সবাই এই ক্যান্টিনের খাবারের উপর নির্ভরশীল। ময়দানের পরিচিত ক্যান্টিন গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য মোহনবাগান মাঠের ক্যান্টিন থেকে সিএবির ক্যান্টিন। সেন্ট্রাল এক্সাইজ এর ক্যান্টিন থেকে সিটি তালতলার ক্যান্টিন। গ্যাসের সমস্যার প্রভাব সব জায়গায় দেখা দিয়েছে। সাধারণত ময়দানে ১৭০০ থেকে ১৯০০ টাকার মধ্যে গ্যাস কিনে দোকান চালান দোকানদাররা। প্রত্যেকটি ক্যান্টিনে গড়ে কোথাও দিনে দুটো কিংবা দু দিনে তিনটে গ্যাস প্রয়োজন। গ্যাসের সংকটের কারণে এই মুহূর্তে ময়দানের ক্যান্টিন গুলিতে অতিরিক্ত দাম দিয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। কালো বাজারের কারণে একেকটা গ্যাস সিলিন্ডারের দাম তিন থেকে চার হাজার টাকা হয়ে গেছে। কয়েকটি ক্যান্টিন সেই দাম দিয়েও গ্যাস কিনেছে। ফলে খাবারের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
advertisement
অনেক জায়গায় আবার অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গ্যাস কিনতে চাইলেও যোগান নেই। তাই দিন কয়েকের মধ্যে সমস্যা না মিটলে ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়ার ভাবনা। সিএবি পরিচালিত ক্রিকেট লীগের প্রত্যেকদিন দুপুরগুলিতে ক্লাবের খাওয়ার দিতে হয়। প্রত্যেকটা ক্লাবে ন্যূনতম ২৫ থেকে ৩০ টা খাওয়ার যায়। সেই খাবারগুলো দেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। ময়দানে যারা ক্লাব করেন তারা বিকল্প হিসেবে ফলের যোগান করছেন দুপুরে।
এমনকি অতিরিক্ত টাকা দিয়েও খাওয়ার কিনতে রাজি। কিন্তু গ্যাসে রান্না না হলে অতিরিক্ত দাম দিয়েই বা খাবার কোথায় পাওয়া যাবে। তাই চিন্তা থেকেই যাচ্ছে।। ময়দানে কাঠ কয়লায় রান্না বন্ধ। তাই সেই উপায় নেই। হলে যারা পাচ্ছেন তারা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গ্যাস কিনে মজুদ রাখছেন। যাদের যোগান নেই তারা খাওয়ার কমিয়ে দিয়েছেন। অনেক ক্লাবকে খাওয়ার দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে সব সেক্টরের মত কলকাতা ময়দানের সেক্টরেও গ্যাসের সংকটে নাজেহাল অবস্থা।।
Eeron Roy Burman
