ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। মাত্র ৬ মিনিটে দুরন্ত দূরপাল্লার শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আনোয়ার আলি। এরপর পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান ইউসুফ এজেজারি। প্রথমার্ধেই আরও একটি পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যখন মহামেডানের ডিফেন্ডার জোসেফ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ১০ জনে হয়ে যাওয়ার পর মহামেডান পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ইস্টবেঙ্গলের ধারাবাহিক আক্রমণের সামনে তাদের রক্ষণ একেবারেই অসহায় হয়ে যায়। কোনওরকম লড়াই এদিন অস্কার ব্রুজোর দলকে দিতে পারেনি মহামেডান।
advertisement
দ্বিতীয়ার্ধেও একই দাপট বজায় রাখে ইস্টবেঙ্গল। আবার গোল করেন এজেজারি। এরপর বিষ্ণু, আনোয়ার আলি এবং শেষদিকে নন্দকুমার গোল করে স্কোরলাইন ৭-০ করেন। মহামেডানের গোলরক্ষক পদম ছেত্রী কয়েকটি ভালো সেভ না করলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। একইসঙ্গে সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে এক ডজন গোলও দিতে পারত ইস্টবেঙ্গল।
আরও পড়ুনঃ আইপিএল ২০২৬-এ কোন দলের ওপেনিং জুটি সবচেয়ে বিপজ্জনক? রইল ১০ দলের ওপেনিং জুটি!
এই জয়ের ফলে ইস্টবেঙ্গল ৬ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, মহামেডান এখনও পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি। আপাতত আইএসএলে আন্তর্জাতিক বিরতির জন্য কিছুদিন খেলা বন্ধ থাকবে, এরপর আবার লিগ শুরু হবে।
