চলতি মরশুমে হার্দিক পান্ডিয়া, কেএল রাহুল, সঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মার মতো একাধিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার অংশ নিলেও আসল আলো কেড়ে নিয়েছেন কর্ণাটকের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান দেবদত্ত পাডিক্কাল। ব্যাটসম্যানদের জন্য অনুকূল উইকেটে একের পর এক শতরান করলেও পাড়িক্কলের ধারাবাহিকতা তাঁকে আলাদা করে তুলেছে। এমন পারফরম্যান্স তিনি দেখাচ্ছেন, যা এই মরশুমে রোহিত বা বিরাটের পক্ষেও সম্ভব হয়নি।
advertisement
২০২৫/২৬ বিজয় হজারে ট্রফিতে পাডিক্কাল মাত্র পাঁচ ম্যাচে ১৫৫.০০ গড়ে ৪৬৫ রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে চারটি শতরান। ত্রিপুরার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক শতরানের পর তিনি সর্বাধিক শতকের তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তাঁর শেষ ১২টি বিজয় হজারে ইনিংসে তিনি সাতটি শতরান হাঁকিয়েছেন—যা তাঁকে কার্যত ‘ব্র্যাডম্যানসুলভ’ পরিসংখ্যানের মালিক করে তুলেছে।
এই তালিকায় কর্ণাটকের আরেক তারকা ময়ঙ্ক আগরওয়ালও রয়েছেন, যাঁর নামের পাশে রয়েছে ১৩টি শতরান। পাশাপাশি, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার রবিন উথাপ্পা তিনটি ভিন্ন রাজ্য দলের হয়ে খেলে কেরিয়ার শেষ করেছেন ১১টি শতরান নিয়ে। এই পরিসংখ্যান ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতার গুরুত্বই তুলে ধরে।
তবে বিজয় হজারে ট্রফির ইতিহাসে সর্বাধিক শতরানের মালিক মহারাষ্ট্রের অঙ্কিত বাওনে। ৯৯ ম্যাচে ৪১৬৪ রান ও ১৫টি শতরান নিয়ে তিনি তালিকার শীর্ষে। তাঁর ঠিক পিছনেই রয়েছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১৪ শতরান)। সব মিলিয়ে, চলতি মরশুম প্রমাণ করেছে যে বিজয় হজারে ট্রফি শুধু ঘরোয়া টুর্নামেন্ট নয়, বরং ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।
