( সিলভা)
বেঙ্গালুরু - ১
(জাভি )
#কলকাতা: আজকের আগে পর্যন্ত ১০ ম্যাচে জয় মাত্র তিনটিতে। বাকি সাতটিতেই হার। গত দু’বারের মতো চলতি আইএসএলেও ইস্টবেঙ্গলের হতশ্রী পারফরম্যান্স ছিল অব্যাহত। তা সত্ত্বেও প্রতি ম্যাচের আগে কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন বাজিয়ে চলতেন ফাটা রেকর্ড, আমাদের লক্ষ্য গতবারের থেকে ভালে ফল করা। লিগ তালিকায় সবার শেষে থাকতে আসিনি।
advertisement
উল্লেখ্য, ২০২১-২২ মরশুমে ২০ ম্যাচে মাত্র একটি জয়ে লিগ টেবিলে সবার শেষে অবস্থান ছিল লাল-হলুদ ব্রিগেডের। কনস্টানটাইনের দাবি, তাঁর দল প্রথম ছয়ে থাকার যোগ্য! বেঙ্গালুরু প্রসঙ্গে তাঁর পর্যালোচনা, ‘বিএফসি ভালো দল। তবে অপরাজেয় নয়। প্রথম লেগে ছেলেরা তা প্রমাণ করেছে। এবার ঘরের মাঠেও সেই ধারা বজায় রাখতে হবে। শুক্রবার জিতে বছর শেষ করতে চাই।
শুক্রবার যুবভারতী স্টেডিয়ামে অবশ্য শুরুটা খারাপ করেনি লাল হলুদ। প্রথমদিকে সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন লিমা। এরপর মহেশ এবং ক্লেটনের প্রচেষ্টা অল্পের জন্য গোল হয়নি। ৪১ মিনিটের মাথায় গোল পায় ইস্টবেঙ্গল। সূহেরকে আটকাতে গিয়ে বক্সের ভেতর হ্যান্ডবল করে বসেন রশন সিং। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি ক্লেটন।
কিন্তু ৫৫ মিনিটে সমতা ফিরিয়ে আনে বেঙ্গালুরু। রয় কৃষ্ণর পাস থেকে জাভি হার্নান্দেজ অনবদ্য ফিনিশ করেন। এদিন বেঙ্গালুরুর জার্সিতে নতুন স্প্যানিশ ফুটবলার পেরেজ দুর্দান্ত ফুটবল খেলেন। ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে ডিফেন্সে অনবদ্য ছিলেন ইভান গঞ্জালেস। সূহেরকে তুলে নিয়ে ইস্টবেঙ্গল নিয়ে আসে হিমাংশুকে।
ইস্টবেঙ্গল বেশ কিছু আক্রমণ করলেও বক্সের মধ্যে ফাইনাল পাস আসছিল না। উল্টে ৭২ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত বেঙ্গালুরু। নেহাত সুনীল ছেত্রী আগের ফর্মে নেই। দেখে মনে হচ্ছে অতীতের ছায়া মাত্র। লাল হলুদ গোলরক্ষক শুভম সেন বুদ্ধি করে সেভ করেন।
অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার দু মিনিট আগে ফ্রিকিক থেকে অসাধারণ গোল করে গেলেন ক্লেটন সিলভা। স্বর্গ থেকে ফুটবল সম্রাট পেলে দেখলে খুশি হতেন তার দেশের ছেলে ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে এরকম গোল করল।
