কাতার বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপে ব্রাজিল। তাদের প্রতিপক্ষ সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড ও ক্যামেরুন। বিশ্বকাপ মানেই ব্রাজিলকে ঘিরে প্রত্যাশার চাপ একটু বেশিই থাকে। সেই প্রত্যাশা এবার নেইমার-কোতিনহোরা কতটুকু পূরণ করবেন সেটা সময়ই বলে দেবে। এই চাপটা অন্যান্য দেশের তুলনায় ইতিহাসমণ্ডিত ব্রাজিলের ওপরই বেশি থাকে, বলছেন কাফু, প্রতিটি টুর্নামেন্টে ব্রাজিল পা রাখে জয়ের চাপ নিয়ে।
advertisement
বিশাল ইতিহাস নিয়ে বিশ্বের অনেক বড় একটি দেশ ব্রাজিল। কেবল বিশ্বকাপ নয়, যে ম্যাচই হোক না কেন, সবখানেই জয়ের চাপ ব্রাজিলের ওপর থাকে। আমাদের ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের খুবই ভালো একটা প্রজন্ম আছে; তাই প্রত্যাশা থাকাও স্বাভাবিক।
কাতার বিশ্বকাপেও যদি প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারে তবে তারা আবারও ব্যর্থতার প্রমাণ দেবে―এমনই বলছেন কাফু, এবার জয়ের সময় এসেছে। এটা পরিষ্কার যে, যদি আমরা বিশ্বকাপ জিততে না পারি, তাহলে সেটা ব্যর্থতা হবে। আমাদের সবারই প্রত্যাশা আছে এবং আশা করি আমরা এবার জিততে পারব।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বিশ্বকাপে ভালো এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ফুটবল খেলা, এরপর ফাইনালের বিষয়টি…যেটা কেউ অনুমান করতে পারে না। একা নেইমার নন। গাব্রিয়েল জেসাস, কুটিনহ, রড্রিগো, ভিনিসিয়াস, রাফিনহাদের মতো প্রতিভা রয়েছে ব্রাজিল দলে।
