স্কাই ক্রিকেট পডকাস্টে আথারটন বলেন, ভারত নিঃসন্দেহে একটি শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ দল। তবে তিনি মনে করেন, তাদের বোলিং আক্রমণে কিছুটা ঘাটতি আছে। প্রধান পাঁচ বোলারের ওপর যদি প্রতিপক্ষ ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তাহলে ভারতের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই। এছাড়া দলের কয়েকজন ব্যাটার এখনো সেরা ছন্দে ফিরতে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
advertisement
তবে আথারটনের মতে, ভারতকে হারাতে হলে ইংল্যান্ডকে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে। এই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড ভালো খেললেও ওপেনিং জুটি জস বাটলার ও ফিল সল্ট প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। দুজন মিলে এখনো ২০০ রানও করতে পারেননি। সল্ট একটি অর্ধশতরান করলেও বাটলার সাত ইনিংসে মাত্র ৬২ রান করেছেন।
আথারটন বলেন, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ধারণা ছিল, ইংল্যান্ডের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে সল্ট-বাটলার জুটির ওপর। কিন্তু তারা বড় অবদান না রেখেও দল সেমিফাইনালে উঠেছে। এটি ইংল্যান্ডকে আত্মবিশ্বাস জোগাবে। তার মতে, দলটি ধীরে ধীরে আরও উন্নতি করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিজেদের আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে পারে।
আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডকে দেখলেই করেন তুলোধনা! সেমিতে তিনি ‘ফিরছেন’, আশায় ভারতীয় ফ্যানেরা
ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঠান্ডা মাথায় রান তাড়া করে সেমিফাইনালে উঠেছে, যা তাদের মানসিক দৃঢ়তার প্রমাণ। আথারটনের ধারণা, এবারের ফাইনালেও ২০২৪ সালের মতো ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই দেখা যেতে পারে। তবে তার আগে সেমিফাইনালের বড় পরীক্ষায় ইংল্যান্ডকে নিজেদের সেরাটা প্রমাণ করতেই হবে।
