কাবন পার্ক থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। কর্নাটক পুলিশের বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমেও ই-রিপোর্ট দায়ের করেছেন অনেকে।পুলিশের রিপোর্ট বলছে, ৩০টি ফোন চুরির অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চুরির সংখ্যা পুলিশের হিসাবের চেয়ে অনেকটাই বেশি।
দর্শকদের দাবি, অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি ফোন চুরি হয়েছে। দর্শকদের এমনও অভিযোগ, স্টেডিয়ামে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। পরে থানায় গিয়ে বহু মানুষ ফোন চুরির অভিযোগ দায়ের করেন।
advertisement
ম্যাচ চলাকালীন ১২টি ফোন হারিয়েছে বলে পুলিশের ধারণা। কিছু ক্ষেত্রে পকেটমারের ঘটনা থাকতে পারে, আবার কিছু ফোন ভিড়ের মধ্যে পড়ে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও হতে পারে বলে এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন- ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের একনিষ্ঠ সমর্থক, রাহুলের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ লাল-হলুদের
বেঙ্গালুরু পুলিশ জানিয়েছে, মোট কতগুলি ফোন হারিয়েছে তা পরিষ্কারভাবে জানতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। বেশিরভাগ ঘটনাই স্টেডিয়ামের গেট নম্বর ৩-এর কাছে ঘটেছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। অন্য একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শুধুমাত্র পি৩ স্ট্যান্ড থেকেই একাধিক মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। এক মহিলা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, “প্রথম ইনিংসে আমার স্বামী জল আনতে গেলে তার ফোন চুরি হয়ে যায়। আমাদের মতো আরও অনেকেই প্রায় একই সময়ে ফোন হারিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন।”
