পাকিস্তান সরকারের এই বড় সিদ্ধান্তের পর বিসিসিআই-এর সচিব দেবজিত সাইকিয়া বলেছেন, এই বিষয়ে তাদের কাছে এখনও কোনও অফিসিয়াল তথ্য নেই। বিসিসিআই-এর দাবি, এই বিষয়ে তারা কোনও ধরনের আনুষ্ঠানিক নোটিস পাননি। পাকিস্তান সরকার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার তথ্য জানিয়েছে। সেটা সরকারি ঘোষণা হতে পারে না।
ভারতের বিরুদ্ধে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ লিগ ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্তের কথা পাকিস্তান সরকার রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। তবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে জাতীয় দলের অংশগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
advertisement
পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ তাদের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু আইসিসি সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।
বিসিসিআই (BCCI)-এর সচিব দেবজিত সাইকিয়া (Devajit Saikia) বলেছেন, “পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ম্যাচ বয়কট সংক্রান্ত বিষয়ে বিসিসিআই কোনও তথ্য পায়নি। আমরা একটি অফিসিয়াল বিবৃতির অপেক্ষায় রয়েছি।”
পাকিস্তান সরকার তাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে জারি করা বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে, তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাদের দল মাঠে নামবে না।
এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গেই টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটেছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টের মাঝেই এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে, যা রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
পাক সরকার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে, “ইসলামিক রিপাবলিক অফ পাকিস্তানের সরকার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অংশগ্রহণে অনুমোদন দিচ্ছে, তবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামবে না।”
আরও পড়ুন- এত ম্যাচে রান করেন, এদিকে ‘আসল’ ম্যাচেই ফ্লপ বৈভব সূর্যবংশী! এক ওভারেই তিন বার ‘আউট’!
এর আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানিয়েছিল, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার পর দলের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারই নেবে। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তের চারদিকে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার এই সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তানের কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
