ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে। বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় তারা বড় জুটি গড়তে পারেনি। শেষের দিকে ফাহিম আশরফ ৩৭ রানের ইনিংস না খেললে আরও লজ্জাজনক স্কোরের সম্মুখীন হতে হত বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ বোলিংয়ে নাহিদ রানা একাই ৫টি উইকেট নিয়ে স্বপ্নের স্পেল করেন। এছাড়া মেহেদি হাসান মিরাজ নেন ৩টি উইকেট।
advertisement
অল্প রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলেন। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম দুর্দান্ত ব্যাটিং করে অর্ধশতরান করেন এবং দলকে জয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে দেন। তাঁর ঝড়ো ইনিংসে দ্রুত রান উঠতে থাকে এবং বাংলাদেশের জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। সইফ হাসান শুরুতেই আউট হলেও তা বাংলাদেশের উপর কোন চাপ তৈরি করতে পারেনি।
আরও পড়ুন: Ishan Kishan: বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ হল দ্বিগুণ! এবার বড় সুখবর পেলেন ইশান কিশান
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ মাত্র ১৫.১ ওভারেই লক্ষ্য পূরণ করে ফেলে। এতে স্পষ্ট হয় যে পুরো ম্যাচে বাংলাদেশ দল কতটা আধিপত্য দেখিয়েছে। পাকিস্তানের বোলাররা তেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। ফলে বাংলাদেশ সহজেই ৮ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এখন সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো পাকিস্তানের জন্য ঘুরে দাঁড়ানোর বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
