এটিকে মোহনবাগান -১
#গোয়া: সুযোগ ছিল ম্যাচটা জিতে প্লে অফ প্রায় নিশ্চিত করে ফেলা। আজ জিতলেই সেই স্বপ্ন পূরণ হত এটিকে মোহনবাগানের। কিন্তু পারল না সবুজ মেরুন ব্রিগেড। ওড়িশার বিরুদ্ধে অনেক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিতে হল। ডেভিড উইলিয়ামস এদিন ছিলেন না। রয় কৃষ্ণকে নামানো হয় দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি। চলতি আইএসএলের শততম ম্যাচটি আজ ড্র হয়ে গেল। তিলক ময়দানে ওডিশা এফসি এদিন ভালোই লড়াই চালাল এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে।
advertisement
ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে তারা জিততেই পারত। ৫ মিনিটে রিদিমের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ওডিশা। ৮ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান জনি কাউকো। বক্সের মধ্যে বুমুকে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় সবুজ মেরুন। ২৪ মিনিটের মাথায় ওডিশা এফসির একটি পেনাল্টি বাঁচান বাগান গোলরক্ষক অমরিন্দর সিং। জাভি হার্নান্দেজের শট আটকে দেন তিনি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দুটি হলুদ তথা লাল কার্ড দেখেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণ।
এছাড়া ওড়িশার ক্রাজনিকির শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। কিয়ান নাসিরির মাইনাস থেকে মনবিরের শট বাঁচিয়ে দেন ওড়িশা গোলরক্ষক। ওড়িশার ডিফেন্সে সেবাস্তিয়ান, ভিক্টর, রদাস অসাধারণ ফুটবল খেলেন। মোহনবাগানের লিস্টন, বুমু, জনিদের একাধিক আক্রমণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন তারা। ম্যাচ শেষে মোহনবাগানের কোচ হুয়ান মেনে নিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ দুটো পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে এদিন। তবে আগামী রবিবার বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে আবার একটা কঠিন ম্যাচ সবুজ মেরুন শিবিরের সামনে।
ওই ম্যাচে সম্ভবত সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে জিততে হলে নিজেদের সেরা খেলা উপহার দিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে বলছেন স্প্যানিশ ম্যানেজার। দলের চোট, আঘাত সমস্যা নিয়মিত বেড়ে চলেছে। আগের ম্যাচে প্রবীর দাসের লাল কার্ড। এই ম্যাচে রয় কৃষ্ণর লাল কার্ড। গোদের ওপর বিষফোঁড়া।
তবে হুয়ান ফেরান্দ আশা ছাড়তে নারাজ। এদিন শেষদিকে সুসইরাজকে নামিয়ে একটা শেষ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ওড়িশার ডিফেন্স ভাঙ্গা সম্ভব হয়নি। বেঙ্গালুরু দুরন্ত ছন্দে রয়েছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে রায় কৃষ্ণর না থাকা অবশ্যই চিন্তায় ফেলবে হুয়ানকে।
তবে এদিন প্রশ্ন উঠবে রয় কৃষ্ণকে স্ট্রাইকিং পজিশনে না খেলিয়ে কেন বাঁদিক থেকে ব্যবহার করছিলেন তিনি। যেখানে রয় কৃষ্ণ বক্সের মধ্যে ভয়ঙ্কর, সেখানে তাকে উইং থেকে ব্যবহার করার যৌক্তিকতা কোথায়?
