এই পরিকল্পনায় ‘জেন জেড’ প্রতিভা যেমন বৈভব সূর্যবংশী এবং আয়ুষ মাত্রেকে জুন-জুলাই মাসে অভ্যন্তরীণ টুর্নামেন্টে চার দিনের লাল বলের ম্যাচ খেলানো হবে। এই টুর্নামেন্টে ২৫ বছরের নিচের ৬৪ জন তরুণ ক্রিকেটার অংশ নেবে। এর লক্ষ্য হল আগামী এক দশকের জন্য ভারতের লাল বলের ক্রিকেটের প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং ধারাবাহিক জোগান তৈরি করা।
advertisement
জানা গেছে, সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের সঙ্গে যুক্ত সব কোচ ও জাতীয় নির্বাচকদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী এক বছরে বেঙ্গালুরুর অধিকাংশ হাই পারফরম্যান্স ক্যাম্পে মূল ফোকাস থাকবে লাল বলের প্রতিভা পুনর্গঠনের উপর। বিসিসিআই-এর সঙ্গে যুক্ত এক সূত্র জানিয়েছে, “ইন্ডিয়া ইমার্জিং দলে শুধু অনূর্ধ্ব-২৫ খেলোয়াড়রাই থাকবে, এবং তারাই ইন্ডিয়া ‘এ’ দলের জন্য শ্যাডো ট্যুরে অংশ নেবে। এই রোডম্যাপ তৈরি করা হবে প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকার এবং কোচ গৌতম গম্ভীরকে সঙ্গে রেখেই।”
আইপিএল শেষ হওয়ার পর ইন্ডিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ এবং ইমার্জিং (অনূর্ধ্ব-২৫) দল দুটোই শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে চার দিনের ম্যাচ খেলতে। দল নির্বাচন হবে ইনট্রা-সিওই টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৬৪ জন ক্রিকেটার বেছে নেওয়া হবে, যাদের চারটি দলে ভাগ করা হবে (প্রতি দলে ১৬ জন করে)। প্রতিটি দল সিওই-তে দুটি করে চার দিনের লাল বলের ম্যাচ খেলবে, যেখানে ভিন্ন ভিন্ন পিচে খেলার সুযোগ থাকবে, যাতে যথাযথ ম্যাচ অনুশীলন হয়।
এই ৬৪ জনের মধ্যে ২৫ জন (অনূর্ধ্ব-২৩) ক্রিকেটারকে জুনিয়র নির্বাচক কমিটি বেছে নেবে, যারা কুচবিহার ট্রফি (অনূর্ধ্ব-১৯) এবং সিকে নাইডু ট্রফি (অনূর্ধ্ব-২৩)-তে ভাল পারফর্ম করেছে। আরও ২৫ জন (অনূর্ধ্ব-২৩ ও অনূর্ধ্ব-২৫) ক্রিকেটারকে সিনিয়র নির্বাচক কমিটি বেছে নেবে, যারা রনজি ট্রফি, বিজয় হাজারে ট্রফি এবং সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে ভাল খেলেছে, কিন্তু আইপিএলে নেই।
এই ৫০ জনের বাইরে আরও ১৪ জন তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড় থাকবে, যারা আইপিএলের অংশ—যেমন আয়ুষ মাত্রে, বৈভব সূর্যবংশী, সমীর রিজভি প্রমুখ। সবাই ফিট থাকলে তারাই ৬৪ জনের তালিকা পূর্ণ করবে।
আরও পড়ুন- ১৮ বছরে এমন হয়নি আইপিএলে! ১৪ বছরের বৈভব আজ যা করলেন…
শেষ পর্যন্ত এই ইনট্রা-সিওই টুর্নামেন্ট থেকে ২৫ জন ক্রিকেটার বেছে নেওয়া হবে, যারা ভবিষ্যতে ইমার্জিং দল এবং ইন্ডিয়া ‘এ’—দুই দলেরই প্রতিনিধিত্ব করবে। বিসিসিআই এবং টিম ইন্ডিয়ার ম্যানেজমেন্ট পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে—আগামী এক বছরে অনূর্ধ্ব-১৯ স্তরেও মূল গুরুত্ব থাকবে লাল বলের ক্রিকেটে।
