দাদাকে দেখে ভারোত্তোলনে এসেছিলেন অচিন্ত্য। সেই দাদা বাধ্য হয়ে তখন ভারোত্তোলন ছেড়ে পরিবার পালনের কাজে নেমে পড়েন। গত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় ভারোত্তোলন সার্কিটে অচিন্ত্যের নামটা সাড়া ফেলে দিয়েছে। খেলো ইন্ডিয়া ইয়ুথ গেমসে সোনা, জুনিয়র কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। বিশ্ব জুনিয়র ভারোত্তোলনে রুপো।
একের পর এক ধাপ পেরিয়ে গত বছর কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। যে সোনা তাঁকে সরাসরি বার্মিংহামে নামার ছাড়পত্র এনে দেয়। ভারোত্তোলনে তো অনেক পুষ্টিকর খাদ্য দরকার। সে সবের কী হয়েছিল? সেই সমস্যা কী করে দূর করেছিলেন? অচিন্ত্যের জবাব, দূর কী আর হয়েছিল। যা পেয়েছি, তা নিয়ে আমাকে লড়াই চালিয়ে যেতে হয়েছিল।
advertisement
বাবা মারা যাওয়ার পরে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়। সেখান থেকে লড়াই করে আমি আজ এই জায়গায় পৌঁছেছি। অচিন্ত্যের মধ্যে প্রতিভার ঝলক দেখে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ‘টপস’ (টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিম) প্রকল্পেও। যা বঙ্গ ভারোত্তোলকের লড়াইকে কিছুটা হলেও এখন সহজ করেছে।
কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে যে বিভাগে সোনা জিতেছিলেন, কমনওয়েলথ গেমসেও সেই ৭৩ কেজি বিভাগেই নামছেন অচিন্ত্য। এক বছর আগে তাসখন্দের সেই প্রতিযোগিতায় অচিন্ত্য স্ন্যাচিংয়ে ১৪৩ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে তুলেছিলেন ১৭৩ কেজি।
অনুশীলনে এখন কত ওজন তুলছেন? অনুশীলন প্রক্রিয়া পুরোটা ভাঙতে চাইলেন না অচিন্ত্য। তবে অচিন্ত্য জানেন নিজের সেরাটা দিতে পারলে কমনওয়েলথ থেকে সোনা নিয়ে ফেরা অসম্ভব নয়। মুখে নয়, কাজে করে দেখাতে চান অচিন্ত্য। বাংলাকে গর্বিত করতে চান সারা বিশ্বে।
