এই সিরিজে ভারতের ব্যাটিং ছিল এক কথায় আগ্রাসী ও আধিপত্যপূর্ণ। শেষ ম্যাচে ২৭১ রানের বিশাল স্কোর গড়ে ভারত, যেখানে ২৩টি ছক্কার মাধ্যমে আসে মোট রানের অর্ধেকেরও বেশি। পাওয়ার হিটিং, নিখুঁত টাইমিং এবং বোলারদের ওপর নিরন্তর চাপ সৃষ্টি করে ভারতীয় ব্যাটাররা পুরো সিরিজ জুড়েই দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।
এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ইংল্যান্ডের দখলে। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজে ইংল্যান্ড মোট ৬৪টি ছক্কা মেরেছিল। সেই সিরিজে ওপেনার ফিল সল্ট একাই ২২টি ছক্কা হাঁকিয়ে বড় অবদান রাখেন এবং ইংল্যান্ডের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রতীক হয়ে ওঠেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ Ishan Kishan: বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে জোড়া বিশ্বরেকর্ড ইশান কিশানের! এবার টার্গেট টি-২০ বিশ্বকাপ
২০২৫ সালে একই প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়াও ৬৪টি ছক্কা মেরে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে ছিল। সেই সিরিজে টিম ডেভিড ১৫টি ছক্কা মারেন, আর ক্যামেরন গ্রিন ও মিচেল ওয়েন ১২টি করে ছক্কা হাঁকিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী মিডল অর্ডারের প্রমাণ দেন।
এই তালিকায় আরেকটি উল্লেখযোগ্য নাম হলো কম্বোডিয়া, যারা ২০২৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে সিরিজে ৬২টি ছক্কা মেরেছিল। তবে সর্বশেষ পারফরম্যান্সে ভারত প্রমাণ করেছে যে আধুনিক টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের পাওয়ার হিটিং এখন বিশ্বের সেরা দলগুলোর মধ্যেই নয়, বরং শীর্ষস্থানে।
