এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় নাম হিসেবে উঠে আসছেন শ্রেয়স আইয়ার। দীর্ঘদিন পর টি-টোয়েন্টি দলে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট হওয়া শ্রেয়স বিজয় হাজারে ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের হয়ে তিনি ৩৪ বলে ৪৫ রান করেন এবং তার আগে হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে ৫৩ বলে ৮২ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। আইপিএল জয়ী অধিনায়ক হিসেবে তাঁর নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নির্বাচকদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ।
advertisement
আরেক সম্ভাব্য বিকল্প হলেন মহারাষ্ট্রের অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে চলেছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। চলতি বিজয় হাজারে ট্রফিতে সাত ইনিংসে তিনি ৪১৩ রান করেছেন। যদিও তিনি মূলত ওপেনার, তবে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে আইপিএলে মিডল অর্ডারেও সফলভাবে ব্যাটিং করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ভালো পারফরম্যান্সের পরও ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়লেও, টি-টোয়েন্টিতে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
চোটগ্রস্ত তিলক বর্মার বিকল্প হিসেবে আরেকটি জোরালো নাম দেবদত্ত পাডিক্কল। কর্ণাটকের এই বাঁহাতি ব্যাটার বিজয় হাজারে ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। মাত্র সাত ইনিংসে তিনি ৬৪০ রান করেছেন, গড় ৯১.৪২, যার মধ্যে রয়েছে চারটি শতরান। তাঁর এই পারফরম্যান্স তাঁকে ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটার হিসেবে তুলে ধরেছে।
আরও পড়ুনঃ আর কী করলে টিম ইন্ডিয়ায় সুযোগ পাওয়া যায়! ইতিহাস গড়লেন সরফরাজ খান
এছাড়াও সইয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে দেবদত্ত পাডিক্কলের আগ্রাসী ব্যাটিং নির্বাচকদের নজর কেড়েছে। ছয় ম্যাচে ১৬৭.০২ স্ট্রাইক রেটে ৩০৯ রান করে তিনি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের জন্য নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। বাঁহাতি ব্যাটার হওয়ায় দলের কম্বিনেশনেও ভারসাম্য আনতে পারেন তিনি। এখন দেখার বিষয়, তিলক বর্মার চোটের চূড়ান্ত আপডেটের পর ভারতীয় নির্বাচকরা কাকে তাঁর উপযুক্ত বিকল্প হিসেবে বেছে নেন।
