সূত্রের খবর, গত ৩১ মে পুরসভার বোর্ড মিটিং শেষে শ্রমিক কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা না করেই বেরিয়ে যান চেয়ারম্যান। আলোচনা করে যতক্ষন না সমস্যার সমাধান হচ্ছে, শ্রমিকদের মজুরির দাবী মিটছে ততক্ষণ চলবে এই আন্দোলন এমন স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে আন্দোলনরত কর্মচারীরা। জল, বিদ্যুৎ অ্যাম্বুলেন্স জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব দফতর বন্ধ থাকবে বলে হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এমনকি সাফাই কর্মিরা কাজে যোগ দেয়নি।সাফাই এর গাড়ি বেরোতে দেওয়া হয়নি। এই কর্ম বিরতি লাগাতার চললে শহর আবার আস্তাকুঁড়ে পরিনত হব শুধু সময়ের অপেক্ষা বলছেন এলাকার মানুষরা।
advertisement
এই বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় জানিয়েছেন, উদ্দেশপ্রণোদিতভাবে পুরসভার কাজকে ব্যাহত করার জন্য কিছু মুষ্টিমেয় স্বার্থলোভী লোক এই ধরনের কাজ করছে। ২০২২ এ নতুন বোর্ডে ৬২০ টাকা মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছিল। আবারো অনৈতিকভাবে মজুরিবৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছে তারা। যদিও চেয়ারম্যান হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সমস্ত অস্থায়ী কর্মীর দৈনিক কাজ ভিত্তিক বেতন। যারা কাজে যোগ দিচ্ছে না তাদের বেতন কাটা যাচ্ছে। অন্যদিকে একটানা ছদিন যদি কাজ বন্ধ থাকে তাহলে সেই কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নেয়া হবে। তার বদলে অন্য অস্থায়ী কর্মচারীর নিয়োগ করা হবে।
