চাকদহের প্রান্তিক ক্লাবে দেবীই হলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ দেবীপক্ষের শুরু থেকেই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এই মূর্তি ৷ মুখ্যমন্ত্রীর আদলেই দুর্গা প্রতিমা তৈরি হয়েছে এখানে ৷ নীল-সাদা পাড়ের শাড়ি , স্লিপার সবই একেবারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হুবুহু মিলে যাচ্ছে ! আর প্রতিমার দশ হাতে দুর্গার ত্রিশুল, বিষ্ণু চক্র বা কমণ্ডলু নয় ৷ কন্যাশ্রী, যুবশ্রীর মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত রাজ্যের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প এবং দার্জিলিং, রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার উন্নয়নের ছবিও রয়েছে ৷
advertisement
প্রতিমায় অবশ্য ১০টি হাত আলাদা করে লাগানো হয়েছে ৷ এখানেই শেষ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদলে তৈরি প্রতিমার পিছনে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র ৷ যাতে চিহ্নিত করা হয়েছে ২০টি জেলা ৷
পুজোর পাঁচদিন দর্শনার্থীদের ভিড় উপছে পড়েছে এই পুজো মণ্ডপে ৷ খবরের কাগজ, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া থেকে সোশ্যালে হাজার হাজার শেয়ারে ভাইরাল চাকদহ প্রান্তিক ক্লাবের ‘মা মমতা ৷’ কিন্তু এবার পুজো শেষ ৷ উৎসাহ শেষে এবার উৎকণ্ঠা আর কৌতুহলের পালা ৷ কি হবে এবার এই দেবীমূর্তির? আর পাঁচটি দুর্গা প্রতিমার মতো কি এই প্রতিমাও বিসর্জিত হবে?
পুজোর উদ্যোক্তারা থেকে জানা গিয়েছে, মমতারূপী এই দেবীমূর্তিটি একটি রেপ্লিকা হিসেবে গড়া হয়েছিল ৷ পুজো করা হয়েছে অন্য একটি দুর্গা মূর্তিতে ৷ তাহলে কী হবে এই ‘মা মমতা’ মূর্তির তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি উদ্যোক্তারা ৷ কেউ কেউ অবশ্য অনুমান করছেন, সংরক্ষিত হবে এই অভিনব দুর্গামূর্তি ৷ তবে উদ্যোক্তাদের তরফে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি ৷
