অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে কাঁকসা থানার সাইবার বিভাগের পুলিশ আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে দফায় দফায় প্রায় ৬ লক্ষ ২২ হাজার টাকা তাঁর কাছ থেকে নেওয়া হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে মূল অভিযুক্ত মুম্বইতে আছে। সেইমত কাঁকসা থানার পুলিশ জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মুম্বাই এর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সেখানে গিয়ে তাকে ধরার জন্য জাল পেতে বসে কাঁকসা থানার পুলিশ।
advertisement
আরও পড়ুন: বছর দুয়েকের শিশু নিয়ে পালাতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা, মহিলাকে গাছে বেঁধে উত্তম-মধ্যম দিল স্থানীয়রা
প্রায় দু দিন পর গত ৫ তারিখ অভিযুক্তকে ধরতে সক্ষয় হয় পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম আবু দারদা এহমদ। তার বাড়ি উত্তর প্রদেশে। মুম্বইয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার বেশ কয়েকটি সেলুন আছে বলে জানা গিয়েছে।সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করে গত ৬তারিখে মুম্বাইয়ের আদালতে পেশ করা হয়। এরপর তাকে কাঁকসা থানার পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে শুক্রবার রাতে কাঁকসা থানায় নিয়ে আসে। কাঁকসা থানার সাইবার বিভাগের পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই তারা প্রযুক্তির সাহায্যে তাকে ধরার জন্য প্রস্তুতি নেয়।
আরও পড়ুন: পৌষের শেষলগ্নে শীতের মারকাটারি ব্যাটিং! নিম্নচাপকে তুড়ি মেড়ে শৈত্য প্রবাহের দাপটে জবুথবু উত্তরবঙ্গ
এরপর তার মুম্বইয়ে উপস্থিতি জানতে পেরে তৎক্ষণাৎ তারা রওনা দিয়ে সেখান থেকে গ্রেফতার করে। শনিবার অভিযুক্তকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশে হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ হেফাজতে নিয়ে এই ঘটনায় আর কেউ যুক্ত আছে কিনা, তার তদন্ত শুরু হবে। পাশাপশি আর কোনও সাইবার প্রতারণার সঙ্গে ধৃত ব্যক্তি যুক্ত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।
