কেশিয়াড়ির যুবক দীপঙ্কর শী এবং তাঁর বন্ধুরা মিলে তৈরি করেছে পাখির বাসার মত বিশেষ ঘর। অ্যাডভেঞ্চারের টানে এবং প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার ইচ্ছে থেকেই এমন একটি পরিকল্পনার জন্ম। নিজেদের জমান অর্থ ও অক্লান্ত পরিশ্রমে তাঁরা প্রায় তিনজনের থাকার উপযোগী এই ঘরটি তৈরি করেছেন। এটি কেবল একটি আশ্রয়স্থল নয়, এটি প্রকৃতির মাঝে এক টুকরো রোমাঞ্চের ঠিকানা।
advertisement
ট্রি হাউসটির সামনের দিকে রয়েছে একটি সুন্দর ব্যালকনি, যেখানে শোভা পাচ্ছে কিছু ফুলের গাছ। এই ব্যালকনিতে বসে আশেপাশের প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
শীতের সকালে পাখির কিচিরমিচির বা রাতে তারাদের মেলা দেখার অভিজ্ঞতা এখানে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। গাছের উপরে এই ঘরে ওঠার জন্য তৈরি করা হয়েছে দড়ি এবং সরু কাঠ দিয়ে তৈরি একটি বিশেষ মই, যা ট্রেকিংয়ের অনুভূতি দেয়।
দীপঙ্কর জানান, বেশ কয়েকদিন তাঁরা এই ট্রি হাউসে রাত্রিযাপনও করেছেন। রাতের নিস্তব্ধ জঙ্গলের পরিবেশ এবং গাছের উপরে থাকার রোমাঞ্চ তাঁদের মুগ্ধ করেছে। শহরের কোলাহল থেকে দূরে এমন একটি শান্ত পরিবেশে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা তাঁদের কাছে অবিস্মরণীয়।
এই ট্রি হাউসটি কেবল ব্যক্তিগত অ্যাডভেঞ্চারের জন্য নয়, এটি স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।অনেকেই আসছেন এই অভিনব ঘরটি দেখতে এবং প্রশংসা করছেন যুবকদের উদ্যোগের। জঙ্গলমহলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে এমন সৃজনশীল উদ্যোগ পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।