TRENDING:

Kali Puja: রুপোর মুকুট, স্বর্ণালঙ্কারে সজ্জিত দেবী, ২৫০ বছরের প্রাচীন এই কালীপুজোর রোমহর্ষক কাহিনী জানুন

Last Updated:

Kali Puja: আড়াই শতাব্দীর ঐতিহ্য! এগরার বাসাবাড়িতে শুরু ঐতিহ্যবাহী কালী পুজোর তুমুল প্রস্তুতি।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
এগরা, পূর্ব মেদিনীপুর, মদন মাইতি: আলোর উৎসবের আগে এগরার ঐতিহ্যবাহী বাসাবাড়ির কালী পুজোর প্রস্তুতিতে এখন তুমুল ব্যস্ততা। প্রতি বছর দীপাবলির সময় এগরার বসু চৌধুরী পরিবারের বাসাবাড়ির কালী মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী এই পুজোয় অংশ নিতে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। প্রায় আড়াই শতাব্দী ধরে হয়ে আসা এই পুজো শুধুমাত্র পূর্ব মেদিনীপুর নয়, সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের মানুষের কাছে ভক্তি, আস্থা ও চিরন্তন সংস্কৃতির প্রতীক। বহু বড় বাজেটের পুজোর মধ্যেও এই বাসাবাড়ির কালীপুজোর মাহাত্ম্য আজও অটুট।
advertisement

প্রায় ২৫০ বছর আগে ইংরেজ শাসনামলে শুরু হয় এই পুজো। কথিত আছে, অখণ্ড মেদিনীপুরের পিংলা থানার গোবর্ধনপুর গ্রামের নবকুমার বসু ইংরেজ সরকারের কাছ থেকে সবং, পিংলা ও পাঁশকুড়া থানার প্রায় ৫০টি মৌজার জমিদারি পান।

পরে তিনি পাঁশকুড়ার জমিদার চন্দ্রশেখর বাড়ির কন্যাকে বিবাহসূত্রে হলুদ তেলে ১৬টি মৌজার ১৬ আনা তালুক দানে পান। জমিদারি দেখভালের স্বার্থে নবকুমার বসু এগরার আকলাবাদে এসে অস্থায়ী ছাউনির বাসগৃহ তৈরি করেন এবং এখানেই তিনি শুরু করেন দক্ষিণাকালীর পুজো, যা পরবর্তীতে ‘বাসাবাড়ির কালী পুজো’ নামে খ্যাত হয়। তৎকালীন সময়ে ইংরেজ সরকার নবকুমার বসুর নিষ্ঠা ও প্রজাদের প্রতি সদ্ব্যবহারের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ‘চৌধুরী’ উপাধি প্রদান করেন।

advertisement

আরও পড়ুন : গ্রামের মাটিতে ঢাকের বাদ্যি, প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে প্রাচীন কালীপুজো

View More

এই পরিবার আজও সেই প্রাচীন রীতি মেনে পুজো করে আসছে। সময় পাল্টেছে, কিন্তু পুজোর নিয়ম, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্য আজও অপরিবর্তিত। নিয়ম মেনে পুজোর আগে দেবীকে রুপোর মুকুট ও স্বর্ণালঙ্কারে সজ্জিত করা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানে মানত করলে মা মনোস্কামনা পূর্ণ হয়।

advertisement

এই পুজোর অন্যতম বিশেষত্ব হল ‘নিষ্করি ভোগ’, যা বাড়ির ব্রাহ্মণরাই তৈরি করেন। ভোগ খেতে আশেপাশের গ্রাম থেকে প্রচুর মানুষ ভিড় জমান। আগে খড়ের ছাউনির ঘরে পুজো হত, এখন দুটি সুন্দর মন্দিরে মা’র পুজা হয়।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ভগবানের মতো এগিয়ে এল সিভিক ভলান্টিয়ার, ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে যুবককে উদ্ধার করে ফেরাল পুলিশ
আরও দেখুন

আগেকার দিনের প্রদীপ ও মশালের আলো আজ জায়গা ছেড়েছে জেনারেটরের লাইটে, তবে ভক্তির আলো একইভাবে জ্বলে রয়েছে। আজও বসু চৌধুরী পরিবারের সদস্যরা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন যাতে পুজোয় কোনও ত্রুটি না থাকে। বৈদিক রীতি মেনে প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠান নিষ্ঠাভরে সম্পন্ন হয়। যেখানে ঐতিহ্য, ভক্তি আর ইতিহাস মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
Kali Puja: রুপোর মুকুট, স্বর্ণালঙ্কারে সজ্জিত দেবী, ২৫০ বছরের প্রাচীন এই কালীপুজোর রোমহর্ষক কাহিনী জানুন
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল